ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

খাজরায় আমন চাষে দিশেহারা কৃষক!

Majharul islam ঢাকা
আপডেট: 29 October 2026, 21:29

খাজরায় আমন চাষে দিশেহারা কৃষক!
নুরুল ইসলাম, (খাজরা) আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনির খাজরায় চলতি আমন মৌসুমে পানির অভাবে ক্ষেত শুকিয়ে ফাটল দেখা দিয়েছে। পানির অভাবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক। কালকীর স্লুইজ গেটের ব্যবস্থাপনা নিয়েও কৃষকদের অভিযোগের শেষ নেই। সচেতন কৃষকরা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট দিতে দেখা যায়।
সাধারনত আমন মৌসুমের এই সময়ে কৃষকের বুকে থাকে সোনালি ধানের হাসি। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন ফিকে হতে চলেছে। ফসলের পরিচর্যা ও বেড়ে ওঠার এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বৃষ্টির অভাব এবং তীব্র সেচ সংকটে পানির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে ধানের ক্ষেত, জমিতে দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল। ধান গাছে কচি ডগা শুকিয়ে যাচ্ছে। সম্ভাব্য ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কায় মাথায় হাত পড়েছে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের হাজারো প্রান্তিক কৃষকের।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আমন ধানের ফুল আসার সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ আমন ধানের জমিতে পানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে দুই ইউনিয়নের সীমানায় অবস্থিত কালকী স্লুইস গেটের চরম অব্যবস্থাপনা এবং সরকারি খাল-জলাশয়গুলো দীর্ঘদিন খনন না করায় পর্যাপ্ত পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।
কৃষক ও সামাজিক আন্দোলনের মুখপাত্র মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, এই সংকটের সবচেয়ে বড় শিকার খাজরা ইউনিয়নের পিরোজপুর, খালিয়া, দুর্গাপুর, গোয়ালডাঙ্গাসহ আশপাশের গ্রামগুলোর কৃষকরা। মনে রাখা দরকার, এসব এলাকার বহু কৃষকের সারা বছরের প্রধান ভরসাই হলো আমন ধান। তাই চলতি মৌসুমে ফসলের ক্ষতি মানে শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, সারা বছরের জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা।
কৃষিনির্ভর এ অঞ্চলে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, খাল-জলাশয়ের নাব্যতা বজায় রাখা এবং স্লুইসগেটের কার্যকর ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু প্রয়োজনীয় পানি সংরক্ষণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার ঘাটতির কারণে একদিকে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি, অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে তীব্র সেচ সংকট— দুটোরই সরাসরি প্রভাব পড়ে কৃষকের জীবন-জীবিকায়।
পশ্চিম খাজরা গ্রামের কৃষক মুকুন্দ ও অরবিন্দু বলেন,বীজতলা থেকে এই পর্যন্ত আমাদের প্রায় ১০হাজার টাকা খরচা হয়ে গেছে। এখন পানির অভাবে ধানের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। যদি বৃষ্টি না হয় তাহলে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।
কৃষকদের দাবি কালকী স্লুইস গেটের কার্যকারিতা ও ব্যবস্থাপনা জরুরিভাবে পর্যালোচনা ও সংস্কার করা। সরকারি খাল ও জলাশয়গুলো দ্রুত খনন করে পানি সংরক্ষণের উপযোগী করা, যাতে প্রয়োজনের সময় কৃষিজমিতে সেচের পানি সরবরাহ করা যায়।
এলাকার কৃষি ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় আশাশুনি উপজেলা প্রশাসন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল।

Share this news as a Photo Card

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আশাশুনি ইউসিসিএ'র ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা

29 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
dailysuprovatsatkhira
www.suprovatsatkhira.com