ভেটখালী থেকে শ্যামনগর সড়ক ধুলাবালির নীরব মরন ফাঁদ
ভেটখালী থেকে শ্যামনগর সড়ক ধুলাবালির নীরব মরন ফাঁদ
নূরুন্নবী ইমন , সুন্দরবন অঞ্চল প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের সংস্কার কাজের ধীরগতি ও অনিয়মের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ , কমল মতি ছাত্র ছাত্রী , বিভিন্ন পেশাজিবী ও যাত্রীরা। যানবাহন চললেই ধুলা বালির নীরব মরন ফাঁদ তৈরী হয় । বিশেষ করে শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালী থেকে শ্যামনগর সড়কের কাজ আংশিক ভাবে সংস্কার হলেও রাস্তায় ছোট ছোট গর্ত তৈরী হয়েছে । যার ফলে যান চলাচলে বিঘ্নের সৃষ্টি হচ্ছে । তাছাড়া রাস্তার উপরে যে বালি দেওয়া হয়েছে যানবাহন চললেই ধুলা বালি উড়তে শুরু করে । রাস্তা হয়ে যায় অন্ধকার । ধুলা বালি নিয়ন্ত্রনে রাস্তায় পানি দেওয়ার কথা থাকলেও নেই তেমন কার্যকরী পদক্ষেপ । রাস্তার ক্ষুদ্র ধুলাবালি ফুসফুসে ঢুকে শ্বাসকষ্ট, কাশি, হাঁচি ও হাঁপানি বা অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে । ধুলাবালিতে থাকা অদৃশ্য কণা ও ডাস্ট মাইট (ক্ষুদ্র কীট) থেকে নাকে অ্যালার্জি, নাক বন্ধ হওয়া বা চুলকানি হচ্ছে । বাতাসে থাকা বালুকণা চোখে গেলে চোখ জ্বালাপোড়া করা এবং লাল হয়ে যাওয়ার সমস্যা হচ্ছে । শিশু, বৃদ্ধ এবং যাদের আগে থেকেই অ্যাজমা বা ডাস্ট অ্যালার্জি রয়েছে, তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে এ রাস্তায় চলাচলে ।
স্থানীয় ভ্যান চালক আলাউদ্দীন বলেন , আমরা প্রতিদিন এ রাস্তায় বহুবার চলাচল করি । রাস্তাটির কাজ ধির গতিতে চলছে । তাছাড়া রাস্তায় পানি না দেওয়ায় ধুলা বালিতে আমরা নাজেহাল ।
গহর আলম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী ইংরেজি শিক্ষক মুজাহিদ ইসলাম সবুজ বলেন , এ রাস্তায় আমরা নিয়মিত চলাচল করি । রাস্তায় ধুলা বালির কারনে শ্বাসকষ্ট, কাশি, হাঁচি ও হাঁপানি বা অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে ।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার পারভেজের নিকট ফোন দিলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রাফিউজ্জামান বলেন , বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে এবং আগামী নভেম্বর মাস থেকে ভেটখালী টু শ্যামনগরের রাস্তার কার্পেটিং এর কাজ শুরু হবে ।

Leave a Reply