দু’চোখে আলো নেই শান্তি রানীর: সরকারের কাছে চাইলেন ঘর
দু’চোখে আলো নেই শান্তি রানীর: সরকারের কাছে চাইলেন ঘর
নুরুল ইসলাম (খাজরা) আশাশুনি প্রতিনিধি:
কথা ছিল দু’চোখের আলোতে স্বামী, সন্তান, নাতি, পুতিসহ পৃথিবীর আলো দেখবেন শান্তি রানী সানা। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিণতির শিকার তিনি। অভিশপ্ত জীবনের গ্লানি নিয়ে তিনি এভাবেই সমাজে বেড়ে উঠেছেন। শুধু বেড়ে ওঠা নয় স্বামীর সংসার,ছেলেমেয়েদের দেখভালসহ সব কিছুই করেছেন দুচোখের আলো ছাড়াই। বাল্য ও কৈশোর পেরিয়ে শান্তি সানা এখন জীবনের শেষ প্রান্তে। চিরচেনা জরাজীর্ন ছাপড়ী ঘরে কোন রকম বেঁচে আছেন শান্তি রানী সানা। সরকারের কাছে একটি ঘরের জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের খালিয়া গ্রামের মৃত মনোহর হালদারের কন্যা শান্তি রানী সানা(৫৫)। স্বামী মারা গেছেন অনেক দিন আগে। আছে ৩পুত্র সন্তান। তারাও অভাবের সাথে সংগ্রাম করছে প্রতিদিন।
শান্তি রানী সানার জীবনের গল্প খুজতে গিয়ে জানা যায়, জন্মের ৩ মাসের মাথায় দূরাগ্যে রোগে আক্রান্ত হয়ে দু’চোখের আলো চিরতরে নিভে যায়। অভাগী শান্তি রানী সানার স্বামী ৩পুত্র রেখে মারা যান। প্রতিবেশীরা জানান,শান্তি রানী সানা অন্ধ হয়েও পরের বাড়িতে শ্রমিকের কাজ করে খুব কষ্টে তিন পুত্র কে মানুষ করেন। এখন বয়সের ভারে আর মানুষের বাড়িতে কাজও করতে পারেন না।
সরকারি সুবিধা বলতে আছে একটি প্রতিবন্ধি ভাতার কার্ড। সেই প্রতিবন্ধি ভাতার কার্ডের টাকা তুলে ঔষধসহ কিছু কেনাকাটা করতে পারেন।
তাদের পরিবারের দাবি সরকারিভাবে যদি একটি ঘর ও আর্থিক সহযোগিতা পাওয়া যায় তাহলে তাদের একটু শান্তিভাবে মাথা গোজার ঠাই হবে।

Leave a Reply