ঢাকাTuesday , 16 May 2023
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

ভোমরায় ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি দখলে নিতে পাঁয়তারা

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 16 May 2023, 21:57

স্টাফ রিপোর্টার ঃ সাতক্ষীরায় ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি দখলে নিতে জামায়াত শিবিরের নেতা কর্মীরা পায়তারা চালাচ্ছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা নবাতকাটি মৌজার ২৫ নম্বর জেএল এর খতিয়ান নং-১০১৫, দাগনং- ৯১৯ জমিতে মঙ্গলবার(১৬ মে) বেলা ১২টায় এ ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ দিন ধরে পালিয়ে থাকা জামায়াতের সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রের মহড়ায় জমিতে ঢুকে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পর থেকে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজমান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যশোর ঝিকরগাছা কীর্তিপুর এলাকার মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে নিছার উদ্দিন আহমেদ (৫৫) সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উক্ত জমি ভুক্তভোগী অভিযোগকারীর স্ত্রী দিল আফরোজ বুলবুল ক্রয় সূত্রে নবাতকাটি মৌজার ২১ শতক জমির মালিক। ১৬ মে মঙ্গলবার বেলা ১২টায় মাহমুদপুর আমিনিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ/সম্পাদক একাধিক মামলার আসামী জামায়াত নেতা নাসির উদ্দিন(৫৫), সদরের মাহমুদপুরের আব্দুল মতলেবের ছেলে জামায়াত নেত মোঃ হাফিজুল ইসলাম(৫০) সহ অজ্ঞাত ১৫/২০ জন শিবির কর্মীরা বর্ণিত জমিতে কুড়াল, দা, শাবল নিয়ে মারধরের ভয় দেখিয়ে দখলের চেষ্টা করে এবং জমিতে থাকা সীমানা পিলার, টিন, সাইনবোর্ড, টিনসহ নির্মানসামগ্রী খুলে নিয়ে যায়। এতে ভুক্তভোগীর প্রায় ১লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে।

এদিকে জামায়াত নেতা নাসির উদ্দিন ও হাফিজুল ইসলামসহ তাদের লোকজন দেশীয় অস্ত্রের ঝনঝনানিতে ভীতিকর অবস্থার সৃস্টি করেছে। অবৈধ দলিল দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গা জমি দখল করা এই চক্রের প্রধান কাজ। তাদের কাজে বাঁধা দিয়ে তারা মামলার ভয় দেখায় এবং বহু মানুষের নামে তারা মিথ্যা মামলা করেছে।

নিছার উদ্দিন আহম্মেদ আরো জানান, জামায়াত নেতা নাছির উদ্দিন দীর্ঘ দিন যাবত আমাদের পরিবারের মালিকানাধীন জমিসহ অত্র এলাকার বিভিন্ন জমিজমা দখলে নিতে চেষ্টা করছে। অত্র এলাকার কিছু জামায়াত ও পলাতক জামায়াত নেতাদের ছত্রছায়ায় দৗর্ঘ দিন যাবত এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েক করছে।
এব্যাপারে নাসির উদ্দিন কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে এড়িয়ে যান।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফকরুল আলম জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *