বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ৫৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। “অন্তর্ভুক্তিমূলক সংগঠন গড়ি, নতুন সমাজ বিনির্মাণ করি” এই শ্লোগান নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী, গণনারী সংগঠন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ৫৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। নারী পুরুষের সমতাপূর্ণ একটি গণতান্ত্রিক অসাম্প্রদায়িক মানবিক যুক্তিবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে ১৯৭০ সালে ৪ঠা এপ্রিল কবি সুফিয়া কামালের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ মহিরা পরিষদ।
আজ এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমরা অভিনন্দন জানাই সমগ্র দেশবাসী, সংগঠনের সকল শুভানুধ্যায়ী, নাগরিক সমাজ, সংস্কৃতিজন, গনমাধ্যম,গনতান্ত্রিক প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল,গনতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে কর্মরত ব্যক্তি, সংগঠন ও বাংলাদেশের বৃহত্তর নারী সমাজকে যাদের সহযোগীতা ও সমর্থনে মহিরা পরিষদের অর্ধশতাব্দীব্যাপী পথ পরিক্রমন সম্ভব হয়েছে। র্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি আন্ধসঢ়;জুমানারা বেগম, সাধারন সম্পাদক জ্যোৎ¯œা দত্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক রুপা মিত্র,অর্থ সম্পাদক হাফিজা খাতুন, আন্দোলন সম্পাদক জোছনা পারভীন সহ বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেত্রীবৃন্ধ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন আর্থ-সামাজিক, অর্থনৈতিক সকল ক্ষেত্রে নারীর উল্লেখযোগ্য ভুমিকার পরও নারীর প্রতি বৈষম্যের একটি প্রধান কারণ হচ্ছে প্রচলিত, গৎবাঁধা প্রথা ও পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী। পুরুষতান্তিক দৃষ্টিভঙ্গী কাঠামোগত ভাবে এতটাই শক্তিশালী যে নীতি, আইন কর্মসূচি তাকার পরও তা নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় বাঁধা প্রদান করছে।
এর সাথে যুক্ত রয়েছে নারী-পুরুষের মধ্যে অসম ক্ষমতা সর্ম্পক। পুরুষতান্তিক সমাজে সকল ক্ষমতা পুরুষের হাতে কেন্দ্রীভ’ত, সম্পত-সম্পত্তিরত রয়েছে নারীর অধিকারহীনতা, যা নারীকে বৈষম্য এবং সহিংসতার সম্মুখীন করে।

Leave a Reply