ঢাকাSunday , 9 April 2023
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কলারোয়া সীমান্তের এপারে ওপারে গরুর মাংসের দামের পার্থক্য সাড়ে ৫’শ টাকা

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 9 April 2023, 22:33

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া সীমান্ত রেখার এপাশে ওপাশে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দামের পার্থক্য সাড়ে ৫’শ টাকা। ফলে ফেরি করে সাড়ে ৪’শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পাচার হয়ে আসা রোগাক্রান্ত নি¤œমানের ভারতীয় গরুর মাংস। জানা গেছে, কলারোয়া সীমান্ত সংলগ্ন ভারতের আমুদিয়া, তারালি, নিত্যানন্দকাটি, হাকিমপুর, দরকান্দা, পদ্মবিল, আশ-শিকড়ী, গণরাজপুর, গোবরা, গোবিন্দপুর, কালাঞ্চি গ্রামের মানুষ ১৮০ রুপি কেজি দরে গরুর মাংস কিনে খাচ্ছে।

অর্থাৎ বাংলাদেশী ২৩০ টাকা কেজি দরে ভারতে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে। আর কলারোয়া সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলোতে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭২০ টাকা থেকে সাড়ে ৭’শ টাকা কেজি। আয়ের সংগে সংগতিহীন ব্যয়ের কারণে বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে অগ্নিমূল্যের গরুর মাংস কিনে খাওয়া দূসাধ্য হয়ে পড়েছে। দেয়াড়া গ্রামের টুকু বলেন, ৬০ কেজির বস্তা মোটা ধান ১৮০০ টাকা এবং চিকন ধান ২’হাজার ৫০ টাকা। ফলে ২৪ কেজি মোটা ধান বা ২২ কেজি চিকন ধান বিক্রি করে এককেজি গরুর মাংস কিনতে হয়। অর্থাৎ ৬০ কেজির এক বস্তা মোটা ধান বিক্রি করে আড়াই কেজি আর একই পরিমাণ চিকন ধান বিক্রি করে পৌনে তিন কেজি গরুর মাংস কেনা যায়। সুতরাং মন চাইলেও টাকার অভাবে গরু মাংস কিনতে পারিনা। তাই বাড়ির শিশুরা মাংসের জন্য বায়না ধরলে খারাপ বুঝেও ভারতীয় মাংস খেতে হয়। সোনাবাড়িয়ার রফিকুল বলেন, সীমান্ত রেখার ওপারে বাংলাদেশী টাকায় ২৩০ টাকা কেজির গরুর মাংস এপারে ৭২০ টাকায় বিক্রি হয় -এটা মনে হলে মাথা খারাপ হয়ে যায়।

টাকার অভাবে সীমান্ত পথে পাচার হয়ে আসা রোগাক্রান্ত নি¤œমানের গরুর মাংস কিনে খেতে বাধ্য হচ্ছি। ফলে চোরাই পথে আসা ভারতীয় মাংসের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। চাহিদা বাড়ার কারণে চোরাই পথে পাচার হয়ে আসা মাংস স্থান বিশেষে সাড়ে ৪’শ টাকা বেড়ে সাড়ে ৫’শ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আবার এই সুযোগে চোরাচালানী চক্র রুগ্ন মরণাপন্ন গরু সংগ্রহের পর গভীর রাতে জবাই করে সেই মাংস বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে বলে সুত্র জানায়। ২৩০ টাকা কেজির ভারতীয় মাংস চোরাই পথে এসে সাড়ে ৫’শ টাকা পর্যন্ত বিক্রির নেপথ্যে রযেছে দু’দেশের অসাধু সীমান্তরক্ষী ও ক্ষমাতাসীন দলের নেতাদের বখরা এবং চোরাচালানীদের অতি মুনাফা। শেষ রাতে পাচার হয়ে আসা এই মাংস সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামে বাড়ি বাড়ি ফেরি করে বিক্রি হচ্ছে। কলারোয়ার বালিয়াডাঙ্গা, ভাদিয়ালী, সোনাবাড়িয়া, কাজিরহাট, খোর্দ্দ, সরসকাটি, শার্শার বাগআঁচড়া, মনিরামপুরের রাজগঞ্জ, ঝিকরগাছার বাকড়া বাজারের মাংসের দোকানে দেশীয় মাংসের সংগে ভেজাল দিয়ে ভারতীয় মাংস বিক্রি করা হচ্ছে বলে সুত্র জানায়। তবে রোগাক্রান্ত গরুর নি¤œানের মাংস খাওয়ার কারণে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।

Share this news as a Photo Card

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করছে বিএনপি সরকার: বাপ্পী

20 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
dailysuprovatsatkhira
www.suprovatsatkhira.com