সাতক্ষীরা সদরের ফুলবাড়ী রাস্তা তৈরিতে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদরের ফুলবাড়ী হতে ত্রিশ মাইল অভিমুখে প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার রাস্তা তৈরীতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে। সরেজমিনে রাস্তা তৈরীর এই অনিয়মের দৃশ্যটি দেখা যায়।
ধানদিয়া ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের রোকনুজ্জামান এ বলেন ,রাস্তার পাশে ইটের সলিং তৈরিতে বালি ব্যবহার হচ্ছে কিন্তু খরা মৌসুমে রাস্তায় বালিতে পানি দেওয়া হয়নি, বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন বালিতে পানি না দিলে রাস্তা মজবুত হবে না। সাধারণ জন গন আমরা তাদের কাছে শুনলে ঠিকাদারের লোকজন আমাদের বলছে আমরা যা করছি ঠিক আছে বলে তারা জানান।তিনি আরো বলেন এখানে পানি দেওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই তাহলে তারা কিভাবে রাস্তা করে, যেখানে পানির ব্যবস্থা না থাকে সেখানে গাড়ি দিয়ে তো পানি দেয়া হয় আমরা তো সেটাও দেখলাম না বলে তিনি জানান। এ বিষয় পথচারী সেনেরগাতি রিয়াজউদ্দীন বলেন ,ফুলবাড়ী বাজারে ইটের সোলিং এর কাজে দুই নম্বর ইট ব্যবহার ও রাস্তায় পানি ব্যবহার না করার কারণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সাধারণ জনগনের বাক বিতন্ডা হয়।
তাতে এ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি কয়েক দিন কাজ বন্ধ রাখে । তারপর আবার শুরু করে। এ বিষয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, ইটের সোলিং রাস্তা তৈরীর সময় ইট থেকে ইটের মাঝে ফাঁকা রাখা হচ্ছে তাতে রাস্তাটি খুবই নড়বড়ে অবস্থায় তৈরী হচ্ছে বলে তিনি জানান তিনি আরো বলেন ইটের সলিং এর ফাঁকা অংশটা বালি দিয়ে ঢেকে দেয়া হচ্ছে যাতে সাধারণ জনগণ বুঝতে না পারে। এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাব কন্টাকটার ইউনূসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন রাস্তায় পানি স্বল্পতার কারণে পানি পরিমাণ কম হয়েছে পরবর্তীতে পানি দিয়ে রোলার করে ইটের সলিং করা হবে বলে তিনি জানান। এ বিষয় রাখা এন্টারপ্রাইজের প্রপাইটার তপন কুমার এর কাছে এ প্রতিবেদক জানতে চাইলে তিনি এ বিষয় বলেন, আমি ঠিকমত পানি বালি ও রুলার মেশিন দিয়ে নিয়ম মাফিক রাস্তা তৈরী করছি। আমার রাস্তার তৈরীর কাজে কোন প্রকার ত্রুটি নেই বলে তিনি জানান ইটের সলিং এর ফাঁকার থাকার, বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন কোনো প্রকার ফাঁকা অংশ থাকবে না ইটের সাথে আর একটা ইট গায়ে লেগে থাকবে বলে তিনি জানান। রাস্তার দুই ধার বাড়িয়ে দুই পাশে হেয়ারিং বন করে তেরী করা হচ্ছে ইটের সোলিং রাস্তা। প্রথমে রাস্তার দুপাশে গর্ত করে সেখানে ফেলানো হচ্ছে শুকনো বালি।
কোন রকম পানি ব্যবহার না করে শুধু দুই টন ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন রুলার দিয়ে নাম সমান করে তার উপর তৈরী করা হচ্ছে ইটের সোলিং এ রাস্তা।
এভাবে তেরী হয়ে গেছে প্রায় ২ কিলোমিটারের অধিক রাস্তা বলে সরেজমিনে এ দৃশ্য দেখা যায়। এ বিষয় সাতক্ষীরা সদর এল জি ই ডি এর নির্বাহী প্রকৌশলীর নারায়ন চন্দ্র এর কাছে মুঠোফোনে রাস্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন অফিসে আসেন ফাইল দেখে বলল মুঠোফোনে নয় বলে এই প্রতিবেদককে জানান

Leave a Reply