ঢাকাSunday , 3 April 2022
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

শহরে বেপরোয়া কিশোর গ্যাং

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 3 April 2022, 21:51

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা শহরের নারকেতলা ও কাটিয়া এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। বেশিরভাগ ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত কিশোররাই ক্ষমতার দাপট জাহির করতে নানা ধরনের অপকর্ম করছে। দ্রæত গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শহরের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। তারা দিনে দুপুরে চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে ছিনতাই, চুরি, মারামারিসহ বিভিন্ন রকম অপরাধ করে চলেছে। দিনে দিনে তাদের অপরাধমূলক কর্মকান্ড ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। এসব কিশোর গ্যাংয়ের দাপটে কোনঠাসা হয়ে পড়ছে সমাজের সাধারণ মানুষ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিছুদিন আগে শহরের নারকেলতলা থেকে পাকাপোল সড়কে কয়েকজন কিশোর দ্রæত গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইজিবাইকের সাইট দেয়াকে কেন্দ্র করে ইজিবাইক চালককে ব্যাপক মারপিট করে। তাদের রুখতে গেলে পথচারীদের ছুরি দেখিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

পরে ঘটনাস্থলে টহল পুলিশ আসলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা বলছেন, উঠতি বয়সী ছেলেরা শহরে আধিপত্য বিস্তার করতে নিজেদের কিশোর গ্যাংয়ের খাতায় নাম লেখাচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে বেড়াছে। অপর এক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি জেলা শিক্ষা অফিসে শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে লাইনে দাড়ানো নিয়ে কিছু উশৃঙ্খল কিশোর শিক্ষার্থী নিজেদের মধ্যে ব্যাপক মারপিট ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে দেখা গেছে এসব কিশোররা স্কুল ফাঁকি দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে শহরের গার্লস স্কুল, টাউন গার্লস স্কুল, নবারুন স্কুল, এ.করিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন স্কুলের সামনে চায়ের আড্ডা ও মোটরসাইকেল শো-ডাউন করছে। সাথে স্কুলের মেয়েদের সাথে ইভটিজিংয়ের মত অপরাধও করছে। সচেতন মহল বলছে, এসব কিশোর গ্যাংরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে। আবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের অপরাধের ধরনও পাল্টেও যাচ্ছে।

এসব উঠতি বয়সী কিশোর-তরুণদের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড থেকে রুখতে সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি প্রশাসনের নজরদারি বাড়াতে হবে। এদেরকে এখনি রুখতে না পারলে ভবিষ্যতে উঠকি বয়সী এসব কিশোর গ্যাং সমাজের বড় বড় অপরাধমূলক কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দেবে। এ বিষয়ে কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, ‘কিশোর গ্যাং বলতে বেশির ভাগ স্কুল পড়–য়া ছাত্ররা সংঘবদ্ধভাবে অপরাধ প্রবনতায় জড়িয়ে পড়ছে। আমি শুনেছি কিছু দিন আগে এক ইজিবাইক চালককে ব্যাপক পারপিট করেছে। তাৎক্ষনিক ভাবে টহলরত পুলিশ ফোর্সকে নিয়ে সেখানে গিয়ে তাদেরকে ধরার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু তারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এই সব কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের চিহ্নিত করে তাদেরকে গ্রেফতার করার অভিযান অব্যহত আছে বলে তিনি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *