ঢাকাTuesday , 18 May 2021
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দেবহাটায় মাছের ঘেরে বিষ: ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 18 May 2021, 22:17

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটার বহেরা গ্রামে ৪টি মৎস্য ঘেরে দুর্বৃত্তরা বিষ প্রয়োগ করে ২০লক্ষাধিক টাকার মাছ ক্ষতি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতের কোন এক সময় এঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঘেরের মালিকরা প্রতিদিনের ন্যায় ঘেরে গেলে তারা দেখতে পান তাদের চিংড়ী জাতীয় মাছ গুলো ধারে ও পানির তলায় মৃত অবস্থায় এবং অন্যান্য সাদা মাছ গুলো পানির উপরে মৃত অবস্থায় ভাসতে দেখা যায়। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বহেরা গ্রামের মৃত আমজাদ আলী শাহাজীর পুত্র আফসার আলীর ১৫ বিঘা ঘেরে ৭ লক্ষাদিক, একই গ্রামের মৃত গোলাম জব্বার সরদারের পুত্র আব্দুর রউফের ৬ বিঘা ঘেরে ৪ লক্ষধিক, মৃত আজিত কুমার বাইনের পুত্র বিকাশ বাইন ও তার ভাই মিলন বাইনের ৮ বিঘা ঘেরে ৫লক্ষধিক টাকার মাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানান তারা। ঘের ব্যবসায়ী আফসার আলী জানান, হটাৎ কে বা কারা আমাদের ব্যবসাকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য বিষ প্রয়োগ করে মাছ মেরে ফেলেছে। তারা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পরবর্তীতে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন কিনা তা নিয়ে তার মধ্যে সংশয় প্রকাশ করেছেন। এ অবস্থায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সরকারি সহযোগিতা ছাড়া তিনি ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন কিনা সেটা নিয়েও তারা খুব চিন্তিত।

অপর ঘের ব্যবসায়ী আব্দুর রউফ জানান, স্থানীয় ব্যক্তিদের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে মৎস্য ঘেরে গিয়ে দেখি ঘেরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে পানির উপরে ভেসে উঠছে। এতে আমার আনুমানিক ৪ লক্ষাধিক টাকার মাছ মরে গেছে। তবে ঘের ব্যবসায়ীরা বিষ্মিত হয়ে জানান, আমাদের ৪টি ঘেরের মাঝখানে বহেরা গ্রামের শিবু পদ’র পুত্র দিপঙ্কারের সাড়ে ৩ বিঘা জমির ঘেরে বিষ প্রয়োগ বা মাছ মরার কোন চিহ্ন দেখা যায়নি। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘের ব্যবসায়ীরা তাদের ঘেরের পানি অপসারণ করে নতুন ভাবে পানি দেওয়ার কাচে ব্যস্ত থাকায় থানায় কোন অভিযোগ দিতে না পারায় পরে অভিযোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *