ঢাকাMonday , 5 October 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

ঘটনাস্থল মুন্সিগঞ্জ ভূমি অফিস– কম ঘুষে ঘোরাঘুরি আর বেশী দিলে তাড়াতাড়ি

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 5 October 2020, 22:31

জি এম মাছুম বিল্লাহ, মুন্সীগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি : মুন্সিগঞ্জ ভূমি অফিসের ১০০ গজ দূরে অনির্বাণ ক্লাবের পাশে সরকারি জমিতে নির্মান হচ্ছে অভৈধ স্থাপনা। প্রকাশ্য দিবালোকে দখলসহ স্থাপনা তৈরি হলেও যেন চোখে পড়াছে না ইউনিন ভূমি অফিসের। অভিযোগ মুন্সিগঞ্জ ভূমি কর্মকর্তা আইনুল হক তার অফিসে বসেই এসব ভূমি দস্যুদের কাছ থেকে আদায় করছেন নারায়ন সেবা।
স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি ভূমি কর্মকর্তার নজরে আনলে এসব সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা নাকি তার কাজ নয়। ভুক্তভোগীদের দাবি অফিসে গেলেই তিনি পকেটের দিকে চেয়ে থাকেন। পকেট ভরা টাকা দেখলে তার কাজের গতি বেড়ে যায় কয়েকগুন।
স্থানীয় ধর্মদাস গত দুইদিন আগে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে পাকা ঘর বাধা শুরু করেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে ভূমি কর্মকর্তা আইনুল হক বলেন, আমি ওই দখলকারীকে অফিসে আসতে নির্দেশ করেছিলাম। কিন্তু সে আসেনি। আমার তো পুলিশের মতো ক্ষমতা নেই। কি করব বলেন।
স্থানীয় ভূক্তভোগি বিশ্বজিৎ মন্ডল বলেন, জামির নামপত্তনের জন্য ঘুষ হিসাবে চুক্তি হলো নয় হাজার টাকায়। পওে ফন্দি ফিকির করে হোল্ডিং নাম্বার বসানোর নাম করে আরো পাঁচশত টাকা নিয়ে নিল। অন্যের পকেট কেটে দুর্নীতি করাই যেন তার নেশায় পেয়ে বসেছে।
কলবাড়ি নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক সালাউদ্দিন আল গালিব জিকো বলেন, জমির (খাজনা) দাখিলা দিতে ১৭৫ টাকার পরিবর্তে আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকার করায় আমাকে চারবার মুন্সিগঞ্জ থেকে হরিনগর যাওয়া আসা করতে হয়েছে। তিনি ঘুর্ণিপাকে মানুষ জিম্মি করে মাল কামায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে ভূমি কর্মকর্তা আইনুল হক ও স্থানীয় কিছু হলুদ সংবাদিকদের ম্যানেজ করে মিলে মিশে অফিসে বিছিয়ে রেখেছে দুর্নীতির জাল। অফিসের অবস্থা দৃষ্টে যে কারোই ভাবতে কষ্ট হবে না যে, চোরে চোরে মাসতুতো ভাই!
কেউ খাজনা বা অন্য ঝামেলা নিয়ে ভূমি অফিসে প্রবেশ করলে ভূমি কর্মকর্তা তাকে মিউটেশন, নামপত্তনসহ অন্যান্য অনেক কিছু করা লাগবে নানাবিধ সমস্যার কথা বলেন। আর পাশে থাকা দালাল চক্রটি চুক্তির মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের টাকা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু হলেও অদৃশ্য ক্ষমতার বলে এই সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল চক্রের মূলোৎপাটন করতে সরকারকে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *