ঢাকাThursday , 1 October 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

বেনাপোল দিয়ে ১০ দিনে ভারতে গেছে ৮০৫ মেট্রিক টন ইলিশ

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 1 October 2020, 21:34

বেনাপোল প্রতিনিধি : দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা হিসেবে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে গত ১০ দিনে ৮শ’ ৫ দশমিক ৭ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রফতানি হয়েছে। যার মূল্য ৭৭ লাখ ৬৯ হাজার ১শ’ ২০ ডলার। প্রতি কেজি ইলিশের রফতানি দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ মার্কিন ডলার হিসেবে ৮শ’ টাকা। এই দরে রফতানি করা প্রতিটি ইলিশের সাইজ ১ কেজি থেকে ১২শ’ গ্রাম ওজনের। মৎস্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ও বেনাপোলের ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন অফিসার মাহবুবুর রহমান জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবার ৯জন রফতানিকারককে মোট ১ হাজার ৪শ’ ৭৫ টন ইলিশ ভারতে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে। প্রতি কেজি ১০ মার্কিন ডলার দরে মোট ১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের ইলিশ মাছ ভারতে রফতানি করা হবে। এ বছর ভারতে মোট ১ হাজার ৪শ’ ৭৫ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ ভারতে রফতানি করা হবে। ইতিমধ্যে যশোরের শার্শার জনতা ফিস ৩শ’ ২২ মেট্রিক টন, ঢাকার রিপা এন্টার প্রাইজ ১শ’ ৭৫ মেট্রিক টন, টাইগার ট্রেডিং ২শ’ ১০ মেট্রিক টন, ইউনিয়ন ভেঞ্জারের ১শ’ ৭৫ মেট্রিক টন, গাজি ফ্রেশ সি ফুডসের ২শ’ ৭০ মেট্রিক টন, খুলনার জাহানাবাদ সি ফুডসের ১শ’ ৫০ মেট্রিক টন, চট্টগ্রামের প্যাসিফিক সি ফুডসের ১শ’ ৫০ মেট্রিক টন, পাবনার সেভেন স্টার ফিস প্রসেসিং লিমিটেডের ১শ’ ৫০ মেট্রিক টন ও বরিশালের মাহিম এন্টার প্রাইজের ১শ’ ৭৫ মেট্রিক টন মাছ রফতানি করেছে। বেনাপোল কাস্টমস থেকে মাছগুলো ছাড়িয়ে রফতানির দায়িত্বে নিযুক্ত হয়েছে সিএন্ডএফ এজেন্ট নিলা এন্টারপ্রাইজ। সূত্র জানায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে ইলিশের চালান বেনাপোল বন্দরে এসে পৌঁছালে কাস্টমস ও মৎস্য বিভাগ আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বিকেলে রফতানির অনুমতি প্রদান করেন। পর্যায়ক্রমে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইলিশ ভারতে গেছে। সিএন্ডএফ এজেন্ট মহিতুল হক জানান, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারতের কলকাতায় ইলিশ নিয়ে যাচ্ছেন। পরে সেখানকার বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে। কলকাতা ছাড়াও এই ইলিশ বিক্রি হবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বাজারে। ভারতে ইলিশ মাছ রফতানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল কাস্টমের কমিশনার আজিজুর রহমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *