ঢাকাSaturday , 8 August 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনিতে হামলা ভাংচুরের ঘটনায় ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২২ জনের নামে মামলা দায়ের

admin ঢাকা
আপডেট: 8 August 2020, 21:40

নিজস্ব প্রতিবেদক: আশাশুনি উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের খোলপেটুয়া নদীর চরভরাটি জমিতে বসবাসকারি দুই নারীর বাড়িতে কওমী মাদ্রাসার ছাত্র ও গ্রামবাসিদের বর্বোরচিত হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও মারপিটের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল শনিবার তেতুলিয়া গ্রামের আবু হাসানের স্ত্রী নির্যাতিত রোজিনা খাতুন বাদি হয়ে ১৭ জনের নাম উলে¬খসহ অজ্ঞাতনামা ২২ জনকে আসামী করে এ মামলা দায়ের করেন।
দায়ের করা মামলা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ভোরে মামলার বাদি রোজিনার ঘরের চালে ঢিল ছুড়েঁ মারে তেতুলিয়া হামিইউছুনুর কওমি মাদ্রাসার নজরান বিভাগের ছাত্র নজরুল ইসলাম। পরে তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় সে আপত্তিকর আচরণ করলে তার শরীরে আলকাতরা লাগিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। এ অভিযোগে রোজিনা ও তার মা কোহিনুরের বাড়ি, একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পোল্ট্রি ফার্মে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় একই গ্রামের রুবেলের নেতৃত্বে পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মন তেতুলিয়া, মিত্র তেতুলিয়া, তেতুলিয়া, ফকরাবাদ, ও মোকামখালি থেকে আসা প্রায় শতাধিক জামায়াত কর্মী সমর্থক ও কওমি মাদ্রাসার ছাত্ররা। তারা হাতে চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড, দা, শাবল, বাঁশের লাঠি ইত্যাদি নিয়ে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুৃপুর ১২টা পর্যন্ত তান্ডব চালায়। হামলায় ওই দু’ পরিবারের ছয়জনসহ ১০ জন আহত হন। লুটপাট করা হয় নগদ টাকা ও সোনার গহনাসহ দু’ লক্ষাধিক টাকার মালামাল। ভাঙচুর করা হয় চার লক্ষাধিক টাকার জিনিসপত্র। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পালিয়ে যায় মাদ্রাসাছাত্রসহ সন্ত্রাসীরা। আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ হাসাপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম কবীর বলেন, এ ঘটনায় তেতুলিয়া গ্রামের আবু হাসানের স্ত্রী রোজিনা খাতুন বাদি হয়ে ১৭জনের নাম উলে¬খ করে অজ্ঞাতনামা ২২ জনের বিরুদ্ধে গতকাল শনিবার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *