খাজরায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ভবন পুনঃ নির্মাণের দাবি
খাজরা (আশাশুনি) প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নে গোয়ালডাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত গোয়ালডাঙ্গা ও দরগাপুর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাটি প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত অফিসসহ শ্রেণি কক্ষ পুনঃ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষানুরাগী ও সচেতন এলাকাবাসী।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, বিগত ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে গোয়ালডাঙ্গা ও দরগাপুর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাটি লন্ডভন্ড হয়ে যায় অফিসসহ শ্রেণি কক্ষ। অফিস কক্ষের টিনের চাল উড়ে যাওয়ায় বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে অনেক মূল্যবান কাগজপত্র, বেঞ্চসহ যাবতীয় সরঞ্জাম। আরোও জানা যায়, ১৯৮০ সালে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ৩জন শিক্ষক ও কর্মচারী দ্বারা এ মাদ্রাসাটি পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে ১শ’ ৪৫ জন কোমলমতি ছাত্র/ছাত্রী আছে। মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার ৪০ বছরেও ছাত্র/ছাত্রীদের উপবৃত্তি ছাড়া মেলেনি সরকারি ভবনসহ অর্থ।
মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা শহিদুল ইসলাম জানান, ‘মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৪০ বছরে আমরা কোন সরকারি বেতন ভাতা পাইনি। মাদ্রাসার ফান্ডেও তেমন কোন সম্পদ নাই। করোনা ভাইরাস সংকট কেটে যাওয়ার পর ছাত্র/ছাত্রীদের কোথায় পাঠদান করাব সেই শঙ্কায় দিন কাটছে আমাদের। মাদ্রাসাটি বাঁচিয়ে রাখতে হলে এ মুহ‚র্তে এর একটি নতুন ভবন প্রয়োজন। গৃহ ও আসবাবপত্র সংস্কারের জন্য অনুদান চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেছি। এখন সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি’।
এ বিষয়ে আশাশুনি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান জানান, ‘মাদ্রাসাটি সংস্কারের আবেদন পাওয়ার পর পুনঃ নির্মাণের সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে’। মাদ্রাসাটি পুনঃ নির্মাণ হলে আবারও পাঠদানে মনোনিবেশ করতে পারবে ছাত্র/ছাত্রীরা এমনই আশা করছেন সচেতন ও শিক্ষানুরাগী এলাকাবাসী।

Leave a Reply