ঢাকাMonday , 11 May 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরায় খালাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে খালাতো বোনের সংবাদ সম্মেলন

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 11 May 2020, 19:27

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরায় খালাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইডেন কলেজের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর চাপে পড়ে বিয়ে অতঃপর কৌশলে সন্তান হত্যা এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১১ মে) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলার পাটকেলঘাটা থানার অভয়তলা গ্রামের শেখ জিয়াউর রহমানের মেয়ে ইডেন কলেজের ছাত্রী রেহেনা খাতুন এই অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি ঢাকা ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী। পাটকেলঘাটা থানার গৌরীপুর গ্রামের মৃত শেখ শামছুর রহমানের ছেলে খালাতো ভাই মুনজুর আলম ওরফে লিটু ও ইফতেখার আলম ওরফে কুদ্দুস আমার খালা অসুস্থ বলে ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর ফুসলিয়ে আমাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। তাদের বাড়িতে থাকাকালে গভীর রাতে মুনজুর আলম ওরফে লিটু আমার কক্ষে ঢুকে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কয়েকবার আমাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি খালাসহ অন্যদের জানালে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক আমাদের বিয়ের আশ্বাস দেন।

কিছুদিন পর বুঝতে পারি আমার গর্ভে সন্তান জন্ম নিয়েছে। বিষয়টি খালা ও স্বজনদের জানালে ডিসেম্বরে বিয়ে দেবে বলে ২৫ অক্টোবর তারা আমার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেয়। কিন্তু ২১ ডিসেম্বর লিটু আমাকে বিয়ে করবে না বলে জানায়। এসময় আমি তাদের বাড়িতে গিয়ে কান্নাকাটি করলে পাটকেলঘাটা থানা ইমাম আব্দুল্লাহর মাধ্যমে রেজিস্ট্রি বিহীন বিয়ে করে লিটু আমাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। রেহেনা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, শশুর বাড়িতে যাওয়ার পর আমি লিটুকে বিয়ে রেজিস্ট্রি করার কথা বললে সে তাল বাহানা শুরু করে।

এ অবস্থায় গত ৬ ফেব্রæয়ারি লিটু ও তার ভাই কুদ্দুস আমাকে বেদম মারপিট করে। আহত অবস্থায় আমি হাসপাতালে ভর্তি হই। এসময় আলট্রাসনোগ্রাফীতে আমার ফের কনসেভ করার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ ঘটনায় আমি পাটকেলঘাটা থানায় অভিযোগ করলে লিটু আমাকে রেজিস্ট্রি বিয়ের প্রতিশ্রæতি দেয় এবং ১৮ ফেব্রæয়ারি কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে রেজিস্ট্রি করে। এরপর থেকে লিটু আমার উপর শুরু করে অমানসিক নির্যাতন। যৌতুকের দাবিতে কথায় কথায় সে আমাকে মারপিট করতে থাকে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, যৌতুক লোভী লম্পট লিটুর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে জীবনে বাঁচাতে আমি পালিয়ে গিয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হই। এসময় লিটু আমাকে খোলা তালাকনামা পাঠালে আমি গ্রহণ করিনি। পরে আমি বাবার বাড়িতে ফিরে আসলে লিটু সেখানে এসে গর্ভে সন্তান থাকা অবস্থায় ডিভোর্স হয় না, তাই তোর সন্তান নষ্ট করতে হবে বলেই আমার পেটে সজোরে লাথি মারলে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

এ ঘটনার পর আমি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হই এবং সেখানে আমার সন্তানটি নষ্ট হয়ে যায়। বর্তমানে লিটু তার ভাই কুদ্দুসসহ তার সহযোগীরা আমাকে খুন জখমের হুমকি দিচ্ছে। তাদের ভয়ে আমি বাবার বাড়িতেও থাকতে পারছি না। তাদের ভয়ে আমার পুরো পরিবার চরম উৎকণ্ঠায় দিন যাপন করছে। তিনি ওই লম্পট লিটু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *