ঢাকাWednesday , 12 February 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দায় থেকে অব্যাহতি পেতে মাদ্রাসা ছাত্রের সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 12 February 2020, 23:40

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় জালিয়াতির মাধ্যমে জোরপূর্বক এক মাদ্রাসা ছাত্রের সাথে নাবালিকা মেয়ের বিয়ে দেয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন শ্যামনগর উপজেলার মেহেন্দীনগর গ্রামের জি,এম আবু সাঈদ এর ছেলে মাদ্রাসার ছাত্র মো. আল ইমরান হোসেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদ্রাসার ৩য় বর্ষের ছাত্র। কালিগঞ্জ উপজেলার গোয়ালপোতা গ্রামের মৃত রেফাজ উদ্দীনের ছেলে আব্দুর রহিম বৈদ্য সর্ম্পকে আমার খালু হন। তিনি তার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার অনুরোধ জানালে সরল বিশ্বাসে ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল আমি তার বাড়িতে যাই। রাতে আমার খালু রহিম বৈদ্য তার ভাই হাকিম বৈদ্য, রশিদ বৈদ্য এবং শহিদ বৈদ্যের ভায়রা ভাই মৃত আঃ গফুর সরদারের ছেলে মতিয়ার রহমান তার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে আটকে রাখে। পরে তার আপন ভাই আব্দুর শহিদের প্রতিবন্ধী মেয়ে খাদিজার সাথে এক লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্যে আমার পছন্দ না থাকা স্বত্বে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক বিয়ে করতে বাধ্য করে। কিন্তু খাদিজা নাবালিকা হওয়ায় বিয়ে রেজিঃ করতে পারেনি। খাদিজার দাখিল পরীক্ষার সনদ অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ০৭/০২/২০০২। বিষয়টি আমার পিতা-মাতা এবং মামা আবু রায়হান জানতে পেরে পরের দিন সকালে খালুর বাড়িতে গেলে খালু ও তার ভাইয়েরা তাদেরকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে অপমানিত করে। পরে পিতা-মাতার সাথে আমি বাড়িতে চলে যাই। আল ইমরান হোসেন অভিযোগ করে বলেন, খাদিজার পিতা কুয়েতে চাকুরি করার সুবাদে আমার খালু আব্দুর রহিম বৈদ্য ও খাদিজার মায়ের নামে টাকা পাঠাতো। খাদিজার পিতার পাঠানো প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা আমার খালু আত্মসাৎ করে। এনিয়ে খাদিজার বাবার সাথে আমার খালু রহিমের দ্ব›দ্ব সৃষ্টি হয়। আমার খালু তার ভাইকে শান্ত করার জন্য কৌশলে আমাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে প্রতিবন্ধি নাবালিকা খাদিজার সাথে আমার বিয়ের নাটক সৃষ্টি করে। বিষয়টি মিমাংশা করার কথা বলে খালু তালবাহনা শুরু করলে নিরুপায় হয়ে বিয়ে রেজি. না হওয়া স্বত্বেও দেন মোহর ও খোরপোশ দিয়ে গত ০৮/০২/২০ তারিখে খাদিজাকে তালাক প্রদান করি। তালাক নোটিশ পাওয়ার পর আমার খালু কালিগঞ্জের দক্ষিন শ্রীপুর ইউনিয়নের ম্যারিজ রেজিস্ট্রির মিজানুর রহমানকে প্রভাবিত করে একটি জাল কাবিননামা এবং একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে জাল মেডিকেল সার্টিফিকেট ম্যানেজ করে। পরে ওই জাল কাগজপত্র দেখিয়ে আমিসহ আমার বাবা ও মা’কে আসামি করে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মিথ্যে মামলা দায়ের করে। পরে মিথ্যে তথ্য দিয়ে ১০ ফেব্রæয়ারি দৈনিক যুগের বার্তা পত্রিকায় একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করায়। আমি প্রকাশিত ওই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। তিনি নাবালিকা খাদিজার দায়ের করা মিথ্যে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পেতে ও তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *