ঢাকাWednesday , 12 February 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কুলিয়া ও শ্রীরামপুরে গোপনে চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা

admin ঢাকা
আপডেট: 12 February 2020, 22:05

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: দেবহাটার কুলিয়া ও সদরের শ্রীরামপুরে গোপনে চলছে ফেন্সিডিলের রমরমা ব্যবসা, যুব সমাজ এখন ধ্বংসের মুখে। থেমে নেই কুলিয়া, বহেরা, খাসখামার ও শ্রীরামপুরের নতুন-পুরাতন মাদক ব্যবসায়ীরা। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকা সত্তে¡ও এর বিস্তার কমেনি বরং গোপনে চলছে মাদক ব্যবসা। অভিযোগ রয়েছে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কুলিয়া ও শ্রীরামপুরের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন ফেনসিডিল, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি হয়। ভারত থেকে দেশে আসে এসব মাদকদ্রব্য। কুলিয়ার বিভিন্ন জায়গায় যেমন বহেরা তালবাগান মাদ্রাসার পেছনে, বহেরা পোস্ট অফিস মোড়, খাসখামারের মোড়ে, কুলিয়া মৎস্য শেডের নীচে, পুষ্পকাটি ভাটার দক্ষিণ পাশে বাগান ও ভাটা ঈদগাহ এর পেছনে এছাড়া সদরের শ্রীরামপুরগামী ব্রিজের তলা সহ চলন্ত রাস্তার উপরও খালি বোতল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ভাষ্য মতে এলাকায় বিভিন্ন সময় দূর-দূরন্ত থেকে মাদক সেবনকারীদের আনাগোনা এবং অবাধে বিচরণ লক্ষ করছে। এলাকার মানুষের প্রশ্ন যদি মাদক বিক্রি হয় না তাহলে সকাল হলেই খালি বোতলের ছড়াছড়ি কেন? কোথা থেকে আসছে এসব ফেনসিডিলের খালি বোতল। কুলিয়ার খাসখামার এলাকার এক প্রবীণ শিক্ষক জানান, পুষ্পকাটি ভাটা ঈদগাহ ময়দানের পেছনে প্রতিদিন চলে ফেনসিডিলের ব্যবসা রাতের আধারে ব্যবসায়ীরা ফেনসিডিল বিক্রি করে। এছাড়া খাসখামারের ভিতরে প্রতিনিয়ত চলছে ফেনসিডিলের ব্যবসা। মাদক সেবনকারীরা সংঘবদ্ধ হওয়ায় কেউ মুখ খুলতে পারে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু লোক জানান, কিছুদিন আগে ক্রসফায়ারের ভয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে বেড়াতো কিন্তু এখন তারা বিভিন্ন ব্যবসার আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসা। এছাড়া এলাকার অনেক মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের কাছে অঙ্গিকার করে আসে যে তারা আর কখনো মাদক ব্যবসা করবে না। হয়তো গুটিকয়েক জন ভিন্নখাতে গিয়ে উপার্জন করছে। এই মাদক ব্যবসায়ীরা রাতের আধারে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় মাদক পৌঁছে দিচ্ছে ধ্বংস করে ফেলছে যুব সমাজকে। এলাকার শান্তি প্রিয় মানুষেরা আবার চিন্তিত হয়ে পড়েছে। বর্তমান সরকার যখন মাদক নির্মূলে বদ্ধপরিকর কিন্তু ঠিক তখনই এ ধরনের মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার সচেতন মহল। বিশেষ করে সমাজের তরুন প্রজন্মের একটি অংশ আজ মাদক নেশায় বেশি আক্রান্ত। মাদকের পাশাপাশি পুষ্পকাটি একটি ইটের ভাটার ভিতরে রাতে বসে জোয়ার আসর। সেখানে কিছু প্রভাবশালী লোক একত্র হয়ে লক্ষ টাকার বাজীতে খেলা করে। মাদক আর জুয়া তাদের এখন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। তারা প্রশাসনের কোন তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছে জোয়ার আসর। মাদকরে মরণ থাবায় ধ্বংস হচ্ছে যুবসমাজ, আর নেশার টাকা জোগান দিতে গিয়ে জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কমকান্ডে। এমতাবস্থায় অত্র এলাকার মাদক সেবনকারী ও ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *