শ্যামনগরে মসজিদ-মাদ্রাসার জমি নিয়ে বিরোধ
শ্যামনগর অফিস: শ্যামনগরে ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। তথ্য সূত্রে প্রকাশ, শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের ধুমঘাট-মঠের চক এলাকায় ফয়সালাবাদ জামে মসজিদ ও ফয়সালাবাদ আলিম মাদ্রাসার মধ্যে ওয়াকফকৃত জমির মাপ জরিপ ও সীমানা নির্ধারণ নিয়ে উভয় কমিটির মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। ৯নং ডি,পি খতিয়ানের ১ একর ২০ শতক জমি উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমান হিস্যা নির্ধারিত থাকলেও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এককভাবে মাঠ জরিপের মাধ্যমে সংশি¬ষ্ট জমির তিনের দুই অংশের অধিক জমি নিজস্ব দখলে নিয়ে সীমানা চিহ্নিত করে বসে আছে। মাদ্রাসার অবকাঠামো নির্মাণের জন্য পুরান অবকাঠামো, ল্যাট্রিন ইত্যাদি ভেঙে ফেলা হয়েছে। সে সব ল্যাট্রিন ইতিপূর্বে মসজিদ ও মাদ্রাসা সংশি¬ষ্টরা উভয়পক্ষ ব্যবহার করতেন বর্তমানে তা না থাকায় মুসুল্লি¬রা দারুন অসুবিধার মধ্যে পড়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পৃথক ভাবে ল্যাট্রিন স্থাপন করে তাদের সুবিধা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৬ জানুয়ারি মসজিদে আসা তাবলীগ জামাতের একটি দল নানাবিধ অসুবিধা থাকায় তারা অন্যত্রে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। বিরোধপূর্ণ স্থানে গাছ-গাছালি কর্তন সহ মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবর স্থানে আংশিক দখলে নেওয়ার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে। মসজিদ ও মাদ্রাসায় দানকৃত জমির সিংহভাগ অংশের মালিক ১১৫৮ খতিয়ানের স্থানীয় অধিবাসী জয়নাল গাজীর পুত্র আবুল কাশেম গাজী খতিয়ান খোলার ব্যাপারে তঞ্চকতা মূলক ভূমিকার কারনে জমির সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বলে একাধিক ব্যক্তিরা জানান। এস,এ রেকর্ডীয় একটি পথ চিহ্নিত ৪৮ শতক যার এস,এ দাগ ৪২৬, হাল দাগ- ১৫৮৯ জমি বিলান জমিতে পরিণত করে ভোগদখল বা বিক্রয় সহ সংশি¬ষ্ট ৯ খতিয়ানের ৭ শতক জমি সন্নিবেশিত করায় সমস্যাটি উদ্বেগ জনক হয়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবুল কালাম সামছুদ্দীন জানান, মসজিদ ও মাদ্রাসার জায়গা দানকৃত, সুতরাং দাতা ও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধান করলে আমার কোন আপত্তি নেই। বিষয়টি স্থানীয়/প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দ্রæত সুষ্ঠু সমাধানের ব্যবস্থা নিতে আহবান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Leave a Reply