ঢাকাMonday , 6 January 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

খাজরার গজুয়াকাটিতে বাঁশের সাঁকোটি জরাজীর্ণ : কালভার্ট নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর

admin ঢাকা
আপডেট: 6 January 2020, 21:45

সমীর রায়/নুরুল ইসলাম : আশাশুনিতে খাজরা ইউনিয়নের গজুয়াকাটি প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন কালকী খালের উপর জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকোটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এ সাঁকোটি পার হয়েই প্রতিদিন বড়দল ইউনিয়নের পাঁচপোতা গ্রাম থেকে শতাধিক শিশু গজুয়াকাটি প্রাইমারি স্কুলে আসে এবং খাজরা ইউনিয়নের রাউতাড়া, গজুয়াকাটি, খালিয়া ও দেয়াবর্শীয়া গ্রামের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী-শিক্ষক বড়দল পারের ত্রয়োদশপল্লী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও বাইনতলা আর সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে যাচ্ছে। খাজরার ৩ ওয়ার্ড মেম্বর ইব্রাহিম গাজী জানান- শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের খালটি পারাপারের দুর্দশার কথা মাথায় রেখে প্রায় ৬ বছর আগে আমি দু’পারের লোকজনকে সাথে নিয়ে প্রায় ৩০ মিটার বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করি। এতে আমাদের ইউপি চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ডালিম আর্থিকভাবে অনেক সহযোগিতা করেন। এর আগে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ভেলায় চড়ে খালটি পারাপার হতে হতো। শীতের সকালে কুয়াশায় সাঁকোর বাঁশ ভিজে থাকায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে আর বর্ষার দিনেতো কথা নেই। শিশুদের স্কুলে পাঠিয়ে মায়েদের সবসময় চরম উৎকণ্ঠায় কাটাতে হয়। বর্ষা মৌসুমে খালে পানি ভরা থাকে। শিশুরা যেকোনো দিন সাঁকো থেকে পা পিচ্ছলে খালের পানিতে পড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। বর্তমানে সাঁকোর বাঁশ জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে তাই দ্রæত সংস্কার দরকার। সংস্কার না হলে যেকোনো মুহুর্ত্বে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নারী-শিশু-বয়োবৃদ্ধদের চিকিৎসা নিতে ও ঐতিহ্যবাহী বড়দল হাটে যেতে খালটি পার হয়ে বড়দলের পাঁচপোতা গ্রামের প্রায় দেড় কি:মি: কাঁচা রাস্তা পায়ে হেঁটে যেতে হয় কালকী ¯øুইচ গেটের পাকা সড়কে, তারপর মেলে গ্রামীণ যানবাহন। একটি কার্লভাটের অভাবে আমরা চরম অবহেলায় পড়ে আছি। আমি আমার এলাকার জনসাধারণের পক্ষে সাঁকোর পরিবর্তে উক্ত স্থানে একটি কার্লভাট নির্মাণের আবেদন জানাচ্ছি। ত্রয়োদশ পল্লী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী শতাব্দী সরকার জানান, প্রতিদিন আমাদের দুইবার করে এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি পার হতে হয়। অনেকে সাঁকো পার হতে ভয় পায়। আমরা সরকারের কাছে একটি কালভার্ট দাবি করছি। স্থানীয় বাসিন্দা তেজেন্দ্র নাথ বৈদ্য (৭০) জানান, আমরা এখন বুড়ো হয়ে গেছি, এখানে একটি কালভার্ট নির্মাণ হলে আমরা খুবই উপকৃত হব। খাজরা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দুলাল চন্দ্র বৈদ্য জানান, গজুয়াকাটি গ্রামে প্রায় ৫০ জন ব্যক্তি সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করে। বর্ষা মৌসুমে আমাদের খুবই কষ্ট হয়। আমরা সরকারের কাছে দ্রæত কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানাই। এ বিষয়ে খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম জানান, জনগণের সুবিধার কথা মাথায় রেখে আমি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সুপারিশ করেছি। আশা করি খুব দ্রæত এখানে কালভার্ট নির্মাণ সহ যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নতি হবে। আশাশুনি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান জানান, ইতোমধ্যে গজুয়াকাটি ও পাঁচপোতা সংযোগ স্থলে একটি কালভার্ট নির্মাণের কার্যক্রম চলছে। চলতি অর্থ বছরের মধ্যে কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *