ঢাকাTuesday , 3 December 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরায় পুস্তক ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 3 December 2019, 21:25

ডেস্ক রিপোর্ট: জালিয়াতি ও প্রতারক চক্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন পুরাতন সাতক্ষীরার পুস্তক ব্যবসায়ী মো: আব্দুর রশীদ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে আব্দুর রশীদ বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভা থেকে বন্দোবস্ত নেওয়া খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার শ্রীকণ্ঠপুর গ্রামের জিএম শহীদুল ইসলামের কাছ থেকে সাতক্ষীরা সদর থানার পিছনে ২০১৪ সালের ১৩ মার্চ চুক্তিপত্র অনুযায়ী পাঁচ বছর মেয়াদে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে সেখানে ‘বই সাগর লাইব্রেরি’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। দোকান ঘর ভাড়া নেওয়ার জন্য মাসিক পাঁচ হাজার টাকা ও প্রথমে তাকে এক লাখ টাকা অগ্রিম দিতে হয়। শহীদুল ইসলাম বিদেশে থাকার কারণে প্রতি মাসের ভাড়ার টাকা কখনো ছোট ভাই আশাশুনি উপজেলার বড়দল কলেজের শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান আবার কখনো মোস্তাফিজুরের শ্বশুর/মামা খাজরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিএম সাঈদার রহমান নিতেন। চুক্তিপত্র পরবর্তী দু’ বছরে সাঈদার রহমান দোকান ঘর হস্তান্তর বাবদ ও তার(রশীদ) নামে দোকানের বন্দোবস্ত করিয়ে দেওয়ার নামে কয়েক কিস্তিতে আট লাখ টাকা গ্রহণ করেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, দোকান ঘর ভাড়া নেওয়ার দু’ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর মোস্তাফিজ ও তার শ্বশুর সাঈদার রহমান কোন টাকা ফেরত না দিয়ে তাকে দোকান ঘর ছেড়ে দিতে বলেন। নয় লাখ টাকা ফেরত চাইলে তারা সদর থানার উপ পরিদর্শক শরিফ এনামুল হককে দিয়ে তাকে থানায় ধরে নিয়ে থানা হাজতে একদিন আটক রেখে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। চুক্তিপত্র গ্রহণের দু’ বছর কেটে যাওয়ার পর তিনি জানতে পারেন যে বন্দোবস্ত গ্রহীতা শহীদুল সেজে তার ভাই মোস্তাফিজুর ও শ্বশুর সাঈদার রহমান যোগসাজশ করে সাক্ষর জালিয়াতি করে তার সঙ্গে লিখিত চুক্তিপত্র তৈরি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে মোস্তাফিজ ও তার শ্বশুরকে জানালে তারা কৌশলে চুক্তিপত্রে উল্লেখিত তাদের স্বাক্ষীদের দিয়ে একটি এফিডেভিট করিয়ে তার বিরুদ্ধে উল্টো চুক্তিপত্র জালিয়াতির অভিযোগ এনে মামলা করলে পুলিশ ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রæয়ারি গ্রেপ্তার করে। রাতেই মোস্তাফিজুর ও তার শ্বশুর তার দোকানের তালা কেটে সর্বস্ব লুট করে নিয়ে যায়। একদিন পর জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি সেখানে নতুন করে ব্যবসা শুরু করেন। খুলনা সিআইডি’র উপ পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন তদন্তকালে শহীদুলের স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণ পেয়ে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। পরবর্তীতে তার দায়েরকৃত মামলায় ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর মোস্তাফিজুর জেলে যায়। বর্তমানে তিনি ঘর ভাড়ার টাকা আদালতের মাধ্যমে দিয়ে আসছেন। জালিয়াতি ও দেওয়ানি মামলা করায় নিজ স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের চেষ্টা মামলার(জিআর ০৯/১৬, আশাশুনি, তাং- ০৭.০১.১৬) আসামি সাঈদার রহমান প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের লোকজন দিয়ে তাকে দোকান থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে ২০১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রতনের মাধ্যমে ঈদগাহ বাজারে উভয় পক্ষের নিয়ে এক সালিশি বৈঠকে সদর থানার উপ পরিদর্শক শরিফ এনামুল হকের উপস্থিতিতে সাঈদার রহমান দোকান ভাড়া বাবদ অগ্রিম নেওয়া এক লাখ টাকা ও পরবর্তীতে নেওয়া আট লাখ টাকা ২৮/০২/২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রæয়ারির মধ্যে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে দোকান ঘর বুঝে নেবেন বলে এক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করলেও পরে তিনি তা মানেননি। উপরন্তু গায়ের জোরে তাকে উচ্ছেদ করার জন্য গত পহেলা ডিসেম্বর রাত ১১টার দিকে মোস্তাফিজুর ও সাঈদার দু’জন মিলে তার দোকানের সাইন বোর্ড ভাঙচুর করেন। এ সময় পাশের লিলি মেডিকেলের মালিক তানভির আহমদ লিটু প্রতিবাদ করেন ও ঘটনার ছবি তোলেন। বর্তমানে তাকে খুন, গুম ও প্রশাসন দিয়ে ক্রসফায়ারে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ফলে তিনি তার ব্যবসা পরিচালনা করিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন। রয়েছেন নিরাপত্তাহীনতায়। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দোকানের অগ্রিম এক লাখ টাকা ব্যতীত বাকি আট লাখ টাকা ফেরত, জালিয়াতির ঘটনায় ন্যায্য বিচার ও নিরাপদে ব্যবসা পরিচালনা করার সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *