ঢাকাMonday , 11 November 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

বুলবুল’র তান্ডবে লন্ডভন্ড আশাশুনি : ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, মাছ, গাছ ও ধানের ব্যাপক ক্ষতি

admin ঢাকা
আপডেট: 11 November 2019, 22:43

আশাশুনি প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড় বুলবুল’র তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে আশাশুনির সদরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চল। প্রাথমিক হিসাবে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। প্রচন্ড ঝড়ে ধানের ফসল, বৃক্ষ ও মৎস্য ঘেরে কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিভিন্ন আশ্রয়-কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ঘরে ফিরে গেছে। উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সূত্রে প্রাথমিক হিসেবে জানা গেছে, বুলবুল’র আঘাতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ৯ হাজার ২০টি ঘরবাড়ি আংশিক ও ৪ হাজার ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। ১হাজার ৭শ’ ৩৪ হেক্টর জমির মৎস্য ঘের বৃষ্টিপাতে প্লাবিত হয়ে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ৫শ’ ১৭ হেক্টর কৃষি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। আড়াই হাজার হাঁস-মুরগি এবং অর্ধ-সহ¯্রাধিক গরু-ছাগল মারা গেছে। আশাশুনি সদরের বক্কার গাজী ও কোদন্ডা গ্রামে তুলশী মন্ডলের মুরগির খামার ঘরের উপর গাছ পড়ে বিধ্বস্ত হওয়ায় খামারের ২ হাজারের বেশি মুরগি মারা গেছে। যার মূল্য ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিঁড়ে ও খুঁটি উপড়ে যাওয়ায় তিন দিন যাবৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকায় অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে গোটা উপজেলা। ফ্রিজজাত খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে। ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন প্রজাতির হাজার হাজার গাছগাছালি উপড়ে ও ভেঙে পড়েছে। বেশিরভাগ ঘরবাড়ি ভেঙেছে গাছ উপড়ে ঘরের উপর পড়ে। তবে কোন মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নদীর হাজার হাজার মিটার বেড়ি-বাঁধ জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকলেও ঝড় জলোচ্ছ¡াসে কোথাও কোন নদীর বাঁধ ভাঙেনি। আশাশুনি সদরের দয়ারঘাট গ্রামের বেড়ি-বাঁধ ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হলে সাতক্ষীরা অতি. জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. বদিউজ্জমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা, পিআইও সোহাগ খান, পাউবো’র এসও গোলাম রাব্বি ও ইউপি চেয়ারম্যান স.ম সেলিম রেজা মিলনের নির্দেশে স্থানীয় ব্রাইট স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্যসহ গ্রামের স্থানীয়রা ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঁধটি রক্ষা করে। শনিবার রাতে আশ্রয়-কেন্দ্রে চিঁড়া-মিষ্টি, মুড়ি, বিস্কুট সরবরাহ করা হয়। রোববার দুপুরে খিচুড়ির ব্যবস্থা করা হয়। সরকারি ভাবে আশাশুনিতে শিশু খাদ্যের জন্য ২০ হাজার টাকা, গো-খাদ্যের জন্য ২০ হাজার টাকা, ৩৭ মে. টন জিআর চাউল এবং ত্রাণ সহায়তা বাবদ ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *