ঢাকাSaturday , 2 November 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধাকে খুন জখমের হুমকি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

admin ঢাকা
আপডেট: 2 November 2019, 21:23

ডেস্ক রিপোর্ট: কলারোয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে পৈতৃক সম্পত্তির ফসল ও হারির টাকা না দিয়ে উল্টো এক মুক্তিযোদ্ধা এবং তার বোনকে প্রকাশ্যে খুন জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার পেতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কলারোয়ার রায়টা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন হাবিব স্বপন। শনিবার (০২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘তারা ১৬ ভাই ও বোন পৈতৃক সূত্রে ওয়ারিশ হিসেবে রায়টা মৌজার তিনটি খতিয়ানের ৫০টি দাগে ৭ দশমিক ৭৫ একর সম্পত্তির মালিক। চাকরির সুবাদে বাইরে থাকায় ওই সম্পত্তি রেজিস্ট্রি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করতো একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাক গাজী। তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় আমাদের সম্পত্তির হারি ও ফসল পৌঁছে দিলেও তার মৃত্যুর পর তার ছেলে শাবলু গাজী, বাবলু গাজী ও ডাবলু গাজী ফসল ও হারির টাকা না দিয়ে তাল-বাহানা শুরু করে। আমরা উপায়ান্তর না পেয়ে আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করি। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে কলারোয়া থানার ওসিকে নালিশী জমিতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা পেয়ে কলারোয়া থানার এএসআই বাবুর আলী ১৪৫ ধারা জারি করতে গেলে তার উপস্থিতিতেই শাবলু, বাবলু ও ডাবলু আমার পা কেটে নেওয়াসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এছাড়া তারা আমার বোন নাছরিন আক্তার রেবা এবং আমার ছোট ভাইকেও খুন জখমের হুমকি দেয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, আব্দুর রাজ্জাক গাজী ছিলেন একজন চিহ্নিত রাজাকার। তার তিন ছেলে শাবলু গাজী, বাবলু গাজী ও ডাবলু গাজী মাদকাসক্ত ও হিং¯্র প্রকৃতির। তারা প্রায় এলাকায় মাতলামি করে এবং তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ করায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয় ২/১টি লাশ ফেলে দেবে এবং মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করবে। তিনি আরও বলেন, আমার ভাই জহির উদ্দিন হাবিব রায়টা নতুন বাজারে ব্যবসা পরিচালনা করে। তাকেও অপরিচিত মোবাইল নাম্বার থেকে হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে বাজারে দোকান পরিচালনা করতে দেবে না। বাজারে গেলে খুন জখম করবে। এ ঘটনায় থানায় ডায়েরিও করা হয়েছে। আমরা সকলে এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘটনায় প্রতিকার পেতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ সময় তার সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোমেন, মুক্তিযোদ্ধা মো. মহিউদ্দিন, শেখ মহিউদ্দিন, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মজিদ প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *