ঢাকাFriday , 1 November 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

ফিংড়ীতে চলছে চিংড়ি মাছে অপ-দ্রব্য পুশ

admin ঢাকা
আপডেট: 1 November 2019, 21:46

ফিংড়ী প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ীতে গোপন আস্তানায় চিংড়ি মাছে অপ-দ্রব্য পুশ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইউনিয়নের গাভা গ্রামে গোপন আস্তানায় নারী ও পুরুষ সম্মিলিত ভাবে ময়দা, আটা, জেলিসহ খাওয়ার অনুপযোগী বিশেষ দ্রব্য পানির সাথে মিশিয়ে ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জের মাধ্যমে চিংড়ি মাছে পুশ করছে এক ব্যাবসায়ী। মাছে পুশ করা কাজে নিয়োজিত প্রায় ২০ জন শ্রমিককে দিন প্রতি ১শ’ ৫০ টাকা হারে মজুরি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন শ্রমিকরা। চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানির জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত সাতক্ষীরা জেলা। সারাদেশ থেকে যে পরিমাণ চিংড়ি রপ্তানি হয় তার সিংহভাগই উৎপাদন হয় এই জেলায়। হরিণা চিংড়ি দেশের আভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। শুধুমাত্র চিংড়ি রপ্তানি করে সরকার সাতক্ষীরা থেকে বছরে প্রায় দেড় হাজার কোটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র। বাংলাদেশের এ সাফল্য ও সম্মান মাটিতে মিশিয়ে দিতে এক শ্রেণির দেশদ্রোহীরা সাদা সোনা নামে খ্যাত চিংড়ি মাছে খাওয়ার অনুপযোগী অপ-দ্রব্য পুশ করে যাচ্ছে। সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের গাভা গ্রামের কার্ত্তিক সরদারের ছেলে প্রভাষ সরদারের একটি বাঁশ বাগানে স্থানীয় মহিলা ও পুরুষদের দিয়ে চিংড়ি মাছে অপ-দ্রব্য পুশ করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানায়, সরাপপুর গ্রামের ভব বাছাড়ের ছেলে স্বপন বাছাড় স্থানীয় যুবকদের কাজে লাগিয়ে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন বাজার থেকে চিংড়ি মাছ ক্রয় করে এনে প্রভাষের বাঁশ বাগানে চিংড়ি মাছে পুশ করার কাজ পরিচালনা করেন। এছাড়া স্বপন বাছাড়কে চিংড়ি মাছে পুশ করার কাজে গাভা গ্রামের কার্ত্তিক সরদারের ছেলে প্রভাষ সরদার ও সতীশ দাসের ছেলে নিমাই দাশ সহযোগিতা করেন বলে জানান তারা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গোপন আস্তানায় মাছে পুশ করার বিষয়টি স্থানীয়রা জানলেও পুশকারীদের ইন্ধনদাতাদের ভয়ে প্রতিবাদ করার ইচ্ছে থাকলেও কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। এ বিষয়ে স্বপন বাছাড়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার দেখা পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায় অতিদ্রæত এ সকল দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *