কলারোয়ায় ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবরদখল ঠেকাতে সংবাদ সম্মেলন
কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ক্রয়কৃত সম্পত্তির জবরদখল থেকে রেহাই ও সুবিচার পেতে কলারোয়া সীমান্ত প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫ টায় উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নের বাকসা গ্রামের মো. জিল্লুর রহমানের স্ত্রী মোছা. তাহমিনা খাতুন এ সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার দীর্ঘদিনের ক্রয়কৃত দখলি সম্পত্তি যা একই গ্রামের মো. হাফিজুর রহমান, মো. মিজানুর রহমান, উভয়ের পিতা সোনাই সরদার, তাসলিমা খাতুন, মোছা. বিলকিস খাতুন সহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন আমার বসত বাড়ি জবরদখল করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ও আমার পরিবারের অন্য সদস্যদের অপরাধ মূলক ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। তারই জের ধরে গত ২০১৮ সালের ১লা ডিসেম্বর জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উপরে উল্লিখিত ব্যক্তিরা জনতাবদ্ধ ভাবে আমার বসত বাড়িতে প্রবেশ করে আমাকে বাড়ির উঠানে ফেলে মারপিট করে জখম করে। বিষয়টি নিয়ে আমি ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আদালতে সিআরপি-১৭৬/১৮ মামলা দায়ের করি। এতে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বসত বাড়িতে বিভিন্ন প্রকার ক্ষয়ক্ষতি সহ বিভিন্ন ধরনের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে তারা আমার বাড়িতে প্রবেশ করে পুনরায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও মামলা তুলে নিতে হুমকি দেয়। তখন আমরা প্রাণভয়ে বাহিরে না আসলে আমাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে চলে যায়। এ ঘটনায় কলারোয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলে এই বিষয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত কলারোয়া থানার এ এস আই মিজানুর রহমান আমাদের উভয় পক্ষকে কলারোয়া থানায় আগামী ৭ অক্টোবর দলিল সহ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র প্রদর্শন করার কথা বলে সালিশি ব্যবস্থা করেছেন। ইতোমধ্যে গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপরোক্ত ব্যক্তিরা লোহার রড,শাবল, ধারালো দা, সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে প্রবেশ করে আমার জমিতে অবস্থিত রান্না ঘর, চুলা, আসবাবপত্র, ভাঙচুর ও আমার একমাত্র পুত্র আলতাফ হোসেনকে কাঠ দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। এ সময় আমার পুত্র বধূ বাধা দিতে গেলে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ইট তুলে তাড়িয়ে নিয়ে যায়। আমাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসলে তারা আমাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সন্ত্রাসী স্টাইলে চলে যায়। এমতাবস্থায় কলারোয়া থানায় জরুরী যোগাযোগ করা হলে এ এস আই মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চলে যান। এহেন জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যের গাফিলতি মূলক আচরণ আমাদেরকে নিরাপত্তাহীনতায় পতিত করছে। তিনি লিখিত বক্তব্যের শেষে প্রকাশ্যে বিচরণ ও হুমকি প্রদর্শন কারী ব্যক্তিদের থেকে জানমালের নিরাপত্তায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে কলারোয়া থানার এ এস আই মিজানুর রহমান জানায়, অভিযুক্তদের আগেই হুঁশিয়ারি করে এসেছি । পরে হামলার বিষয়টি জেনে আমি ঘটনা স্থলে যাই এবং ঐ অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply