ঢাকাMonday , 17 June 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কথা রাখেননি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডাক্তার হাফিজউল্লাহ!

admin ঢাকা
আপডেট: 17 June 2019, 21:55

ডেস্ক রিপোর্ট: ২০১০ সালে আমার হাত ভেঙে গেলে ডা. ইব্রাহিম খলিল চিকিৎসা করেন। এ সময় জোড়া লাগানোর জন্য ডাক্তার ব্যবহার করেছিলেন নাট স্ক্রু। বেশ কিছুদিন পর নতুন করে সমস্যা দেখা দিলে আমি শরণাপন্ন হই সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অর্থেপেডিক্স ডাক্তার হাফিজউল্লাহর। ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর আমি আমার স্বামী মোস্তাকিম, শ্বশুর নঈম মোড়ল ও দুই চাচা শ্বশুর আলিম সরদার ও বাবলা সরদারের সাথে ডাক্তারের ক্লিনিক ট্রমা সেন্টারে ভর্তি হই। সোমবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন, দেবনগর গ্রামের মোস্তাকিমের স্ত্রী মিসেস লিপিয়া।
তিনি বলেন, আমি ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে চিকিৎসা গ্রহণ করি। এ সময় ডাক্তার অপারেশন করে হাতের পুরনো নাট স্ক্রু খুলে ফেলার সময় কিছু অংশ ভেঙে যায়। এ কারণে হাতে যন্ত্রণা হতে থাকে। বিষয়টি তাকে জানালে তিনি বলেন, নতুন করে টাকা লাগবে না। আমি বিনা খরচে চিকিৎসা দেব অথচ তিনি কথা রাখেনি। ফলে তিনি ও তার পরিবার অসহায় জীবন যাপন করছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ডাক্তার হাফিজুল্লাহ তাদের অবমূল্যায়ন করেছেন। লিপিয়া তার লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, অপচিকিৎসা এবং খারাপ ব্যবহার করেছেন এই অভিযোগ করে ডাক্তার হাফিজুল্লাহর বিরুদ্ধে তিনি বিভিন্ন স্থানে আবেদন করেছেন। এর প্রেক্ষিতে ২৫ জুন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের কক্ষে তদন্ত অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, এ খবর পেয়ে ডা. হাফিজুল্লাহ তাকে ফোন করে ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। এমনকি এ নিয়ে বাড়াবাড়ি না করারও কথা বলেছেন তিনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. হাফিজউল্লাহ বলেন রোগীকে আমি চিকিৎসা দিয়েছি সাধ্যমতো। তার কাছ থেকে চুক্তিমতো টাকাও পেয়েছি। পরে যখন তিনি নতুন করে যন্ত্রণা পাচ্ছিলেন তখন মানবিক কারণে আমি বিনা খরচে চিকিৎসা দেব বলে কথা রেখেছি। এমনকি ওষুধপত্রও কিনতে হয়নি তাদের। তারপরও তারা কোন কারণে এতো ক্ষিপ্ত হয়েছেন জানি না। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে আমার চেম্বারে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসীকে নিয়ে আসেন লিপিয়ার স্বামী মোস্তাকিম। আমার সাথে তারা অসদাচরণ করেন। তাদের ক্ষতি হয়েছে দাবি করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা চায়। আমি ঝামেলামুক্ত হতে বাধ্য হয়েই ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দেই। না দিলে তারা আমার ক্ষতি করবে বলে হুমকি দিয়েছিল। এখন আমি তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দেবো বলেও উল্লেখ করেন ডা. হাফিজউল্লাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *