কৃষ্ণনগরে কোর্চিং বাণিজ্য অব্যাহত
কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকরা হাইকোর্টের আদেশকে অমান্য করে বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছেন কোচিং বাণিজ্য।
সূত্র জানায়, কিষাণ মজদুর ইউনাইটেড হাইস্কুলের এমপিওভুক্ত শিক্ষক হাবিবুর রহমান হোসেনপুর গ্রামে নিজ বাসায় সকাল/বিকাল ছাত্র/ছাত্রীদের নিয়ে কোচিং করাচ্ছেন। এছাড়া তার দুই সহোদর মাস্টার দেবদাস ও মাস্টার প্রশান্ত দাস তাদের স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীদের নিজ গ্রাম-সোতার বাসায় সকাল/সন্ধ্যা কোচিং করাচ্ছেন। কৃষ্ণনগর বাজার সংলগ্ন মৃত মাস্টার নাসিরউদ্দীনের বাসায় ও কালিকাপুর গ্রামে শেখপাড়ায় নব জাগরণ ক্লাবে শ্যামনগর থানার কাশিমাড়ী মহিলা আলিম মাদ্রাসার নিয়োগপ্রাপ্ত রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক ও কালিগঞ্জ থানার উত্তর বন্দকাটি গ্রামে নিমাই মন্ডলের ছেলে গোপাল মন্ডল রাষ্ট্র বিজ্ঞানের প্রভাষক সকালে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। তার গ্রামের বাড়ি বন্দকাটির বাসায় সকাল/বিকাল ছাত্র/ছাত্রীদের নিয়ে ইংলিশ কোচিং করাচ্ছেন। যদিও তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক। জয়নগর আমিনিয়া হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার বাংলা শিক্ষক কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের খোদা বকস শেখের ছেলে আবুল কাশেম একই প্রক্রিয়ায় সকাল/সন্ধ্যা কোচিং বাণিজ্য বহাল তবিয়তে চালাচ্ছেন। তিনি বাংলার শিক্ষক তবুও তিনি ইংলিশের কোচিং করাচ্ছেন।
ার নেংগী হাইস্কুলের এমপিও ভুক্ত শিক্ষক জাহিদ ও মনিরুজ্জামান একই প্রক্রিয়ায় সকাল/সন্ধ্যায় কোচিং ব্যবসা অব্যাহত রেখেছেন। আদর আলী মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিএসসি শিক্ষক হিসাবে শিক্ষকতা করেন। তিনিও বাড়িতে সকাল সন্ধ্যা প্রায় শত খানিক ছাত্র-ছাত্রী পড়ান।
অভিভাবক সমাজের অভিমত স্কুলে পড়ালেখা হয় না, আমরা বাধ্য হয়ে কোচিং শিক্ষকদের নিকট সন্তানদেরকে পাঠাই। কোচিং বাণিজ্য হাইকোর্ট কর্তৃক নিষিদ্ধ। তথাপী জাতির কারিগর শিক্ষক সমাজ কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না করলে আগামী ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কোচিং নির্ভর হয়ে পড়বে।

Leave a Reply