ঢাকাFriday , 17 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

জোর করে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 17 May 2019, 22:11

ডেস্ক রিপোর্ট: আশাশুনির দরগাহপুর ইউনিয়নের সোনাই গ্রামে জোর করে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সোনাই গ্রামের পঞ্চরাম মন্ডল এই সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় তার ভাই কার্তিক মন্ডল উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তাদের সম্পত্তির ১ একর ৬৩ শতক তার বাবা পবনচন্দ্র মন্ডল ও কাকা ১২ বছর দখল করে আসছেন। কিন্তু অর্পিত সম্পত্তি হওয়ায় সরকারের কাছ থেকে তা ইজারা নেওয়ার আবেদন করি। এই সুযোগে রামনগর গ্রামের আনসার আলির ছেলে রিজাউল, আবেদ আলি সরদারের ছেলে শামসুর, দরগাহপুরের তারুন শেখ, সুমন সরদার, হাফিজ সরদার, শেখ খলিলুল্লাহ, কামরুল মাস্টার কৌশলে জাল দলিল খাড়া করে ওই জমি তাদের রেকর্ডীয় বলে দাবি করে। এ ঘটনার বিরুদ্ধে পঞ্চরাম অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৫ ধারার মামলা করেন। আশাশুনি থানা পুলিশ এর প্রেক্ষিতে দুই পক্ষকে ডেকে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশ দেয়। এমনকি ওই জমিতে না যাবার জন্য তাদের নির্দেশ দেয় পুলিশ।
পঞ্চরাম অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের এই নির্দেশনা লংঘন করে জাল দলিল সৃষ্টিাকারীরা ওই জমিতে বেড়িবাঁধ দিয়ে ঘের ও বাসা নির্মাণের কাজ শুরু করে। পঞ্চরাম আরও বলেন, ঘেরের বাঁধ নির্মাণের পরদিন রিজাউল কামরুল গং আমাদের রেকর্ডীয় জমিতে হানা দেয়। তারা ২৫ মার্চ তারিখে আমাদের অনুপস্থিতিতে আমাদের বাড়িতে হানা দিয়ে পূজার ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় এবং ৭০-৮০ জনের সন্ত্রাসী নিয়ে ঘেরটি দখল করে। তারা আমাদের ঘেরের বাসায় আগুন দিয়ে নিজেরা বাসা তৈরি করে সেখানে ১০-১২ জন রাতে অবস্থান করে। এ বিষয়ে আমি বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসককে অবহিত করলে এসি ল্যান্ড ও নায়েব তদন্ত করে জানতে পারেন বিবদমান জমির মূল মালিক আভা রানী ভারতে চলে যাওয়ায় তা অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হয়েছে। সেই জমিতে আমরা ভোগ দখলে আছি ১২ বছর যাবত। তিনি বলেন, পূজার ঘর জ¦ালানোর ঘটনায় আমি পৃথক মামলাও দায়ের করি।
পঞ্চরাম অভিযোগ করে বলেন, গত ১৩ মে তারিখে ১৪৫ ধারার মামলার ধার্য দিনে সাতক্ষীরা আদালতে এলে এক নম্বর ভবনের সামনে বেলা ১১টার দিকে রিজাউল কামরুল ও হাফিজসহ অনেকেই আমাকে ও আমার ভাই কার্তিককে মারপিট করে জমির কাগজপত্র, ১৫ হাজার টাকা, স্বাক্ষরিত ১০০ টাকার অলিখিত স্ট্যাম্প জোর করে কেড়ে নেয়। আমরা সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি আদালতকে অবহিত করি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। এসবের পরও তারা এখন ঘের এলাকায় ও আমাদের বাড়ির আশপাশে ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে মহড়া দিচ্ছে। আমাদের খুন জখমের হুমকি দিচ্ছে।
তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পঞ্চরাম সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের সহযোগিতা চেয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *