জেলা আ’লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা : কোনঠাসা নৌকার বিদ্রোহীরা
ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও হুইপ আবু সাঈদ আল-মাহমুদ স্বপন বলেছেন, অনেক ত্যাগ ও সংগ্রামের বিনিময়ে আজকেই আওয়ামী লীগ। জননেত্রী শেখ হাসিনা তিল তিল করে এই সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এই আওয়ামী লীগের জেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যন্ত প্রত্যেকটি ইউনিটকে ঐক্যবদ্ধ করে সকলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন আমাদের অভিভাবক জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার নির্দেশে সাংগঠনিক সফরের অংশ হিসেবে এই বিশেষ বর্ধিত সভা। এই সভার মধ্য দিয়ে সকল নেতাকর্মীদের একটি মেসেজ দিতে চাই, এ জেলার সাংগঠনিক অবস্থার রিপোর্ট আমাদের কাছে আছে। কোন নেতা কি করছেন তার তথ্যও আমাদের কাছে আছে। আওয়ামী লীগের নেতাদের ঘাড়ের উপর ভর করে জামাত বিএনপি ত্রাস সৃষ্টি করবে এটা মেনে নেওয়া হবে না। আমি একটি কথা সব নেতাদের পরিষ্কার করে জানিয়ে দিচ্ছি, বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার পরেও শেখ হাসিনার কর্মী নৌকায় ভোট চাওয়ার কারণে মার খাবে, হামলার শিকার হবে এটা কেন্দ্র মানবে না। শেখ হাসিনা তা বরদাস্ত করবেন না। তাই সকল নেতাকর্মীকে সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে মন দিতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার যদি কখনো সুঃসময় আসে তাহলে এই আমাদের মত সামনের সারিতে বসা নেতারাই শেখ হাসিনার সাথে বেইমানী করবে। অতীতে শেখ মজিবুর রহমানের বেলায়ও আমরা তার প্রমাণ পেয়েছি। তাই এই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কখনো ফেলে দেওয়া যাবে না। মনে রাখতে হবে একটা কর্মী তৈরি করা কঠিন, কিন্তু ফেলে দেওয়া সহজ। আওয়ামী লীগ কাউকে বাদ দেয় না। বর্তমানে এই সেলফির কারণে আওয়ামী লীগ ধ্বংসের মুখে। আওয়ামী লীগের প্রাণ ভোমরা হলো তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। তারা যদি খুশি থাকে তাহলে আমাদের নেত্রী খুশি। শুনেছি সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগের কর্মীরা নাকি শহরে উঠতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, যারা শেখ হাসিনার প্রতীক বুকে বেঁধে নির্বাচিত হয়েছেন এবং এই সারিতে বসে আছেন তারাও যদি কেউ তৃণমূল নেতাকর্মীদের গায়ে হাত দেন, তবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। জামায়াত-বিএনপির কোন হাইব্রিড লোকজন দলে ঢুকে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের উপর হামলা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। যদি কোন নেতার মদদে নেত্রীর প্রাণ ভোমরা তৃণমূলের কোন কর্মী হামলার শিকার বা হয়রানি হয় তাহলে সে কত বড় নেতা তা আমরা দেখে নেবো। বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবে না। উপজেলা নির্বাচনে আপনারা বিভিন্ন প্রার্থীকে বেছে নিয়েছেন আমাদের আপত্তি ছিলো না। কিন্তু আমাদের কাছে খবর আসে নৌকায় ভোট চাওয়ার কারণে শেখ হাসিনার কর্মীদের মার খেতে হয়েছে- এটা দুঃখজনক। লজ্জা করে না আপনাদের?
হুইপ আবু সাঈদ আল-মাহমুদ স্বপন আরও বলেন, সাতক্ষীরা জেলার সকল থানা কমিটি ২০১৪ সালের আগে হয়েছে। ১৪ সালের পরে কোন কমিটি হয়নি। কিন্তু একটি থানার পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। একটি ইউনিটের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক কমিটি করেছেন, কিন্তু জেলা কমিটি এখনো অনুমোদন দেয়নি। আপনাদের মনে রাখতে হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনা করেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করছেন, নেত্রী এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন এমনকি নেত্রীকে বিএনপিকেও চালানো লাগছে। আর আপনারা সভাপতি-সম্পাদকরা কমিটি করতে পারছেন না। তিনি নেতাদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনারা কি নেত্রীর চেয়েও ব্যস্ত? আমাদের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের আগে জেলা কমিটি গঠন করতে চাই। সেই লক্ষ্যে দ্রুত ওয়ার্ড থেকে থানা পর্যন্ত কাউন্সিল করতে হবে। মনে রাখবেন যারা সম্মেলন করতে চায় না তাদের জনপ্রিয়তা নেই। তাই তারা সম্মেলন করতে ভয় পায়। ২০২০ সাল মুজিব বর্ষ। সরকার সরকারের মত করে এটা পালন করবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ তার নিজের মত করে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালন করবে। জেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যন্ত শেখ মুজিবকে ছড়িয়ে দিতে হবে।
মঙ্গলবার (১৪ মে) বেলা ১১টায় শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টার এন্ড রিসোর্টে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আহমেদ’র সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের পরিচালনায় এই বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য অধ্যাপক ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগে নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে হবে। নেত্রীর চাওয়া আর আমাদের চাওয়া একই। তাই তৃণমূল নেতাকর্মীদের উপেক্ষা করে সংগঠন পরিচালনা করা যাবে না। যখন জেলায় লিখিত খবর আসে থানার সভাপতি-সম্পাদকদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে বা নেতাকর্মীদের ভিতর বিভেদ তৈরি হয়েছে ঐ চিঠি ফাইলের নিচে রাখলে চলবে না। ঐসকল নেতাদের জেলায় ডাকতে হবে। না হয় সেখানে গিয়ে সমস্যার সমাধান করতে হবে। কোন রকম বসে থেকে সমস্যার বৃহৎ রূপ ধারণ করতে দেওয়া ঠিক হবে না। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় চান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ডিজিটাল তালিকা তৈরি করতে। এজন্য দ্রুত ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা কমিটি করে জেলায় পাঠাতে হবে। জেলা থেকে কমিটি কেন্দ্রে যাবে পরে এটা নাম ঠিকানাসহ ডিজিটালাইজড করা হবে। আর মুজিব বর্ষকে যথাযথভাবে পালন করতে হবে। মনে রাখতে হবে বর্তমান সরকারের এই পাঁচ বছর ক্ষমতা ভোগের বছর নয়। দলকে সুসংগঠিত করার বছর।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য এস.এম কামাল হোসেন, অ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, পারভীন জামান কল্পনা, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য ও সংসদ সদস্য এস.এম জগলুল হায়দার প্রমুখ।
সভায় নিজ নিজ ইউনিটের সাংগঠনিক অবস্থা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সাতক্ষীরা নিয়ে যে বদনাম ছিলো তা ঘুচে গেছে। সাতক্ষীরা জামায়াত, বিএনপির ঘাটি ছিলো।দেলোয়ার হোসেন সাইদীর রায়ের পরে টেলিভিশনের মাধ্যেমে সারা বিশ্বের মানুষ দেখেছে ও সাতক্ষীরারও কিছু মানুষ বলেছে সাতক্ষীরা বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন। দেলোয়ার হোসেন সাইদীর রায়ের পরে আমরা যারা প্রকৃতআওয়ামী লীগার তারা রাতে বাড়িতে ঘুমাতে পারতাম না। রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার পরেও পুলিশ সাহায্যও করেনি। জামায়াত বিএনপির লোক গোয়েন্দাগিরি করেছে আমাদের সন্ধানের জন্য। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে ৭১ সালের বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, ৭৫ এর পরের বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরাও আওয়ামী লীগের পতাকা তলে থেকে আজকের আওয়ামী লীগকে পরিচালিত করছে। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হয় জামায়াত বিএনপির লোক আমাদের ঘাড়ে ভর করে আমাদের কমিটিতে ঢুকে যাওয়ার চেষ্টা করছে। পুলিশ ঘুষ নিয়ে তাদের সাহায্য করে আর আমাদের লোকেরা জেলে যায়, আমাদের লোকরা পালিয়ে থাকে। এটা যেন আজকের পর থেকে না হয় এজন্য নেত্রীবৃন্দের কাছে অনুরোধ করছি। আপনার বলে যান কোন নীতি নিয়ে সংগঠন চলবে। সে দিন ফেসবুকে একটা ঘটনা দেখে কষ্টে বুক ভেঙ্গে গেলো। বিএনপির লোক আওয়ামী লীগের পদ পেয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সেই সংগঠনকে পরিচালনার জন্য আমরা পদ নিয়েছি। সঠিকভাবে চালাতে না পারলে পদ ছেড়ে দেবো। কিন্তু জামায়াত বিএনপির কাছে অপমান হতে পারবো না।
শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হক দোলন বলেন, আমি এবং আমাদের শ্রদ্ধেয় সভাপতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাংসদ দুজনে উপজেলা পরিচালনার দায়িত্ব পাবার পর থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমাদের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। কিন্তু সামান্য সমন্বয়ের অভাবে কমিটি গতিশীল নেই। জেলার নেতাদের বলেছি। প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করেও বলেছি। আজকের কেন্দ্রের নেতারা একটা ডেট দিয়ে যান সেই ডেটের ভিতরে সম্মেলন সম্পন্ন করবো।
তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম বলেন, সাতক্ষীরার অন্য যেকোন উপজেলার চেয়ে তালা উপজেলা শক্তিশালী ইউনিট। আমি ও আমাদের সাধারণ সম্পাদক দুজনে মিলে এ ইউনিটে শক্তিশালী ও ত্যাগী আওয়ামী লীগারদের দলে টেনে এনেছি। যখনই কেন্দ্র থেকে কোন নির্দেশনা পেয়েছি তখনই আমরা রাজপথে থেকে মোকাবেলা করেছি। আমাদের ইউনিট যে শক্তিশালী তার প্রমাণ ২০১৩-২০১৪ সালের জামায়াত-বিএনপির যে তা-বলীলা তা থেকে আমাদের তালা উপজেলাকে রক্ষা করতে পেরেছি শুধু একটি কারণে। সেটি হলো আমাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে তোন দূরত্ব নেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা মূল্যায়ন পায়নি। আমি সভায় আরেকটা বিষয় তুলে ধরতে চাই। সেটি হলো সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের দিকে কেন্দ্রের নেতাদের নজর দিতে হবে। উনারা পাইকারী দরে কেন্দ্র থেকে টাকার বিনিময়ে কমিটি নিয়ে আসে আর জেলা ও থানায় তা খুচরা দামে বিক্রি করেন। এটা বন্ধ করতে হবে। আমি ২০১৪ সালে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেয়েছিলাম। কিন্তু আমার জানা নাই প্রতীক বরাদ্দের পরে তা তুলে নেওয়া যায় কি না। আমার বেলায় সেটা করা হলো। আমাকে রাতে ফ্যাক্স দিয়ে জানানো হলো এ আসন ওয়ার্কাস পার্টিকে দেওয়া হয়েছে। এবারও তৃণমূলের মত উপেক্ষা করে ওয়ার্কার্স পার্টিকে এ আসন দেওয়া হলো। যে উপজেলাটি আওয়ামী লীগের রাজনীতির উর্বরভূমি সে উপজেলার নেতাকর্মীদের বঞ্চিত করা হয়েছে। এখন তালা উপজেলা আওয়ামী লীগ ৪ ভাগে বিভক্ত হয়েছে। এছাড়া ওয়ার্কার্স পার্টি বিএনপিকে তলে তলে সমর্থন দিচ্ছে। এতে রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান বলেন, আমাদের উপজেলার নেতাদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নেই। অন্য যেকোন উপজেলা থেকে আমাদের সাংগঠনিক কর্মকা- ভাল। কেন্দ্র যেভাবে চাইবে আমরা সেইভাবে কাজ করবো।
কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ ফিরোজ আহমেদ স্বপন বলেন, সাতটি উপজেলায় নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু কলারোয়া ও কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনের প্রেক্ষাপট ছিলো ভিন্ন। একথা কেউ সাহস করে এখানে বলেন নি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থীর হাত ধরে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে হামলার আসামিরা ১০ বছর পরে এলাকায় ঢুকে বাজারে প্রকাশ্যে বসে চা পান করছে। আর এ দৃশ্য চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া উপায় নেই। জামায়াত-বিএনপির তা-বে সাতটি উপজেলায় যে ১৬ জন নিহত হয়েছিলো তার মধ্যে চারজন ছিলো কলারোয়া উপজেলার। সেই হত্যাকা-ের আসামিরা বিদ্রোহী প্রার্থীকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দেয়। প্রামাণ আছে আমার কাছে। তাদের নিয়ে সম্মেলন করা যাবে কিনা তার বিচারভার প্রধান অতিথির উপর ছেড়ে দিলাম।
এদিকে ফিরোজ আহমেদ স্বপনের বক্তব্যের এক পর্যায়ে কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুর কর্মী সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পরে কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিবেশ শান্ত হয়।
এছাড়া উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেনকে সভায় বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়নি।
এছাড়া যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নৌকা প্রতীককে পরাজিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরও সভায় বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়নি।
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য এসএম কামাল হোসেন সভার বিভিন্ন পর্যায়ে বক্তাদের মধ্যে বক্তব্যের ফোলোর নিয়ে বলেন, যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নৌকা প্রতীককে পরাজিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরও সভায় বক্তব্য দিতে দেওয়া হবে না। এটা ন্যূনতম শাস্তি।

Leave a Reply