ঢাকাTuesday , 14 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কালিগঞ্জ থানার এসআই মনির তরফদারের বিচার চেয়ে তিন নারীর সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 14 May 2019, 23:15

ডেস্ক রিপোর্ট: ‘বয়সে আমরা তার মা অথবা বোনের সমান। গরিব হলেও তো আমাদের সামাজিক মান মর্যাদা আছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তা কোন বিবেকে আমাদের অসভ্য অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে পারে? কালিগঞ্জ থানার এসআই মনির তরফদারের বিচার চেয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এভাবেই প্রশ্ন ছুড়ে দেন তিন নারী।
মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের রতনপুর মহিষকুড় গ্রামের আশরাফ আলির স্ত্রী লায়লি বেগম সংবাদ সম্মেলন করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এসআই মনির তরফদারের বিচারের দাবি জানান। এ সময় সাথে ছিলেন তার দুই জা শোকর আলির স্ত্রী রিজিয়া খাতুন ও এরশাদ আলির স্ত্রী রাবেয়া খাতুন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেনম আমার মৃত শ্বশুর মুজিবুর রহমানের পৈতৃক ১৮ বিঘা জমির মধ্যে চার বিঘা জমি নিয়ে বিবাদ চলছে প্রতিবেশি আবু তাহের ও তার ছেলে হাসান ও হেলালের সাথে। মহিষকুড় মৌজার জমিতে আমরা ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাস করছি। প্রকৃতপক্ষে আমাদের জমি দখলের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তারা। এ নিয়ে সাতক্ষীরার আদালতে মামলাও রয়েছে। গত ১৩ মে তারিখে ছোট দেবর এরশাদ আলি ঘর সংস্কার করছিলেন। এ সময় আমাদের প্রতিপক্ষের প্ররোচনায় এস আই মনির তরফদার এসে বলেন, এখানে নতুন ঘর তুলছিস কেনো। জবাবে এরশাদ বলেন নতুন নয় এটা পুরাতন। তখন ওই এসআই বলেন, ‘এই …….. বাচ্চা চড় মেরে তোর কান জালিয়ে দেবো’। এ সময় রাবেয়া এর প্রতিবাদ করলে এসআইয়ের মুখ থেকে বেরিয়ে আসে আরও অশালীন ভাষা। যা কানে তোলা যায় না। মুখে বলা যায় না। রোজার দিনে এমন নোংরা ভাষা কোনো মানুষ ব্যবহার করতে পারে তা আমাদের জানা ছিল না। ছোট বড় ছেলে-মেয়ে ও পাড়ার লোকজনের সামনে এমন ভাষার আক্রমণের মুখে লজ্জায় আমাদের মাথাকাটা যায়। আমি নিজে এর প্রতিবাদ করলে মনির তরফদার আমাদের লাঠি নিয়ে মারতে উদ্যত হন। বিষয়টি আমরা কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্থানীয় মেম্বরকে জানাই। আমরা এর বিচার চাই। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তিনি যেনো তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, আমাদের শ্রমজীবী স্বামীরা কাজে কর্মে বাইরে থাকেন। এই সুযোগে হাসানের ছেলে হেলাল ও তার সঙ্গীরা আমাদের ঘরের দরজায় টোকা দেয়। বাজে কথা বলে। পুকুরে গোসল করতে গেলে লাইট মেরে আমাদের বিব্রত করে। হাসান ক্যামেরা দিয়ে আমাদের ছবি তুলবার চেষ্টা করে। এসব কাজে এসআই মদদ দিচ্ছেন উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে তাদেরও বিচার দাবি করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *