ঢাকাSunday , 5 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

বিনাখরচে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ: মুন্সীগঞ্জে চিত্র উল্টো

admin ঢাকা
আপডেট: 5 May 2019, 21:50

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে বিনা খরচে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার করলেও সাতক্ষীরার শ্যামনগরের মুন্সীগঞ্জে সেই সুফল পাচ্ছে না মানুষ।
অঙ্গীকার অনুযায়ী ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছলেও এর বিনিময়ে গ্রাহকদের গুনতে হচ্ছে হাজার হাজার টাকা।
ফলে বর্তমান সরকারের বিনাখরচে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য ব্যাহত হচ্ছে। একই কারণে ম্লান হয়ে যাচ্ছে সরকারের সাফল্য।
অভিযোগ, উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের দালালচক্র পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কিছু অসৎ কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশে গ্রামের নিরীহ মানুষদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ম্যানেজার জানলেও না জানার ভান করে থাকেন। এমন কি ম্যানেজারের ছত্রছায়ায় তার প্রতিষ্ঠানের অসৎ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিভিন্ন সময় নানা কারণে গ্রাহকদের ভোগান্তিতে ফেলেন। মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব ধানখালী গ্রামের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাধারণ গ্রাহকরা সুপ্রভাত সাতক্ষীরার কাছে এসব অভিযোগ করেন।
বিদ্যুৎ সংযোগ প্রত্যাশী মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব ধানখালী গ্রামের রূপো গাজীর ছেলে আব্দুল গফফার গাজীসহ শত শত পরিবারের নিকট থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বাবদ ২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেছে প্রতারক চক্রটি।
এছাড়া মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য উৎপল কুমার জোদ্দার মথুরাপুর গ্রাম থেকে বিদ্যুতের মিটার দেয়ার নাম করে প্রত্যেক গ্রাহকের কাছ থেকে তিন হাজার করে টাকা আদায় করেছেন বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে।
মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা বাবুল হোসেন জানান, এলাকায় নিরীহ মানুষদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ দেওয়ার নামে করে গফফার নামে এক ব্যক্তি টাকা নিয়েছে। মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহাঙ্গীর সরদার বিচার করে তাকে টাকা ফেরত দিতে বললেও তার থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে, বিদ্যুতের মিটার দেয়ার নাম করে তিন হাজার টাকা করে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য উৎপল জোরদার বলেন, এটা ভিত্তিহীন বানোয়াট। এ ধরনের কোন টাকা গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি। তবে বিদ্যুৎ সংযোগের লাইন দেওয়ার সময় কিছু টাকা পয়সা নেওয়া হয়েছিল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যুৎ সমিতির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিচালকদের প্রকাশ্য ছত্রছায়ায় নিরীহ মানুষদের কাছ থেকে প্রতারণা করে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। যদিও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করে বিদ্যুৎ এর নামে কোন টাকা লেনদেন না করার ঘোষণা দেন। এদিকে, ভুক্তভোগীরা আব্দুল গফফারের কাছে টাকা ফেরত চাইলে প্রকাশ্যে মামলা-হামলার ভয় দেখানো হচ্ছে গ্রাহকদের। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *