ঢাকাMonday , 15 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

পরিবেশ বান্ধব চুলার ব্যবহার: সৈয়দা তৌহিদা ইসলাম নিশি

admin ঢাকা
আপডেট: 15 April 2019, 23:04

শ্যামনগরের ধুমঘাট অন্তাখালী চকের হতদরিদ্র পরিবারের গৃহবধূ বেগম পরিবেশ বান্ধব ও জ্বালানি সাশ্রয়ী চুলা ব্যবহারে নিজেকে অনেকাংশে রোগ মুক্ত এবং একই সাথে তার প্রতিদিনের জ্বালানী খরচ কমে এসেছে বলে মনে করেন। বেগম এলাকার অন্য নারীদের পরিবেশ বান্ধব এবং জ্বালানী সাশ্রয়ী চুলার ব্যবহার দেখে এই চুলা ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। পরে তিনি এই চুলা ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে নিজে চুলা তৈরি করতে শেখেন। নিজে চুলা তৈরি করতে পারলেও পাইপসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদির অভাবে চুলা তৈরি করা হয়নি দরিদ্র বেগমের। তখন সে চুলার পাইপসহ অন্যান্য জিনিস পেতে বিভিন্নভাবে খোঁজ নিতে নিতে একদিন বেসরকারি সংস্থা বারসিক এর নিকট থেকে চুলার সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করে নিজেই চুলা স্থাপন করেন।
সরজমিনে বেগমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সুন্দর পরিপাটি করে রাখা হয়েছে পরিবেশ বান্ধব ও জ্বালানী সাশ্রয়ী চুলাটি। বেগম বলেন, একসময় আমি সাধারণ চুলা ব্যবহার করতাম। চুলার ধোয়ায় আস্তে আস্তে আমি এ্যাজমাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে থাকি। তাছাড়া ধোয়া লাগলে আমার মাথা ব্যথা শুরু হয়ে যেত। সাধারণ চুলার আগুনের তাপ লেগে হাতের পশম পুড়ে যেত। এখানেই শেষ নয়, চুলার যে আগুন বের হয়ে আসতো সেই আগুনে আমার হাতে থাকা তামার চুরি গরম হয়ে আমার হাতে ফোসকা কাটতো। তবে এখন এসমস্ত সমস্যা থেকে অনেকাংশে ভালো আছি। এছাড়া আগের তুলনায় জ্বালানীর খরচ অনেকাংশে কমে এসছে বলেও জানান তিনি। পরিবেশ বান্ধব চুলা ব্যবহারের ফলে তার রান্না ঘরের উপরের অংশে এখন আর ময়লা পড়ে না, ধোয়াচ্ছন্ন হয় না রান্নাঘর। বেগম বলেন, নিজেকে এবং পরিবেশকে রক্ষা করতে আমি পরিবেশ বান্ধব চুলা ব্যবহার করে থাকি। বেগমের পাশাপাশি একে অন্যকে দেখে এই চুলা ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠেছে গ্রামের অধিকাংশ নারীরা। গ্রামের শুরুতে রাস্তার পাশে লাগানো হয়েছে জ্বালানী সাশ্রয়ী এবং ধোয়ামুক্ত রান্না ঘর পল্লীর সাইনবোর্ড। গ্রামের নারীরা চেয়েছেন সকল রান্নাঘরকে ধোয়ামুক্ত করতে। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাদের পাশে দাড়িয়েছেন বেসরকারি গবেষণা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বারসিক। চুলা তৈরিতে বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে সহযোগিতা করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ধুমঘাট অন্তাখালী গ্রামসহ অন্য গ্রামের পথচারীদের এই চুলা ব্যবহারে আকৃষ্ট করে তুলতে এই চুলা ব্যবহারকারীদের বাড়ির সামনে টানানো হয়েছে সাইনবোর্ড। যেখানে লেখা রয়েছে ধোয়ামুক্ত রান্না ঘর বাড়ি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *