ঢাকাTuesday , 12 February 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরায় জাল দলিল করে জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 12 February 2019, 20:54

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় উজ্জল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জাল দলিল করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইসমাইল বাবু।
মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার পিতা আমিন আলির নামে শহরের পলাশপোল মৌজায় এস এ ২৭৯৪ নং খতিয়ানভুক্ত ১১৪৫৫ দাগে ৬৭ শতক সম্পত্তির মধ্যে ৫.৮০ শতক সম্পত্তি ছিলো। এই সম্পত্তির ওয়ারেশ হিসেবে আমাদের দশ ভাই বোনের মধ্যে হেবানামা দলিল করছেন। সেখানে অঙ্গিকারনামায় তিনি উল্লেখ করেন যে তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় কোন ওয়ারেশ ওই সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবেন না। সে অনুযায়ী আমরা চার ভাই ওই জমি ভোগ দখল করে আসছি। আমার ভাগে দুটি দোকান পড়ে। দুটি দোকানের মধ্যে একটি দোকান (যার তপশীল পরিচয়- খারিজ খতিয়ান – ২৭৯৪/৮/১, হোল্ডিং নং- ১০৬৮৬, দাগ নং- ১১৪৫৫, হাল দাগ- ১৬৪৬২, পৌরসভার হোল্ডিং নং- ০৩৪৮-১, বিদ্যুৎ মিটার নং- ১১৭১) ভাড়াটিয়া রউফ ও তার সহযোগি পলাশপোল এলাকার মৃত ময়েন আলীর ছেলে আব্দুস সালাম জবর দখল করে রাখেন। এনিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে আমার দখলস্বত্ব বজায় থাকবে এমন নির্দেশ দেন এবং ওই দোকানের মালিক ইসমাইল বাবু।
এদিকে রউফ মামলায় হেরে গোপনে ওই দোকান তার সহযোগি সালামের কাছে হস্তান্তর করে যান। এরপর কৌশলে সালাম দখলে রাখে। কিন্তু আদালতের রায় আমার পক্ষে থাকায় এবং সালাম ওই দোকান অবৈধভাবে দখল রাখতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এর জের ধরে সালাম ইটাগাছা এলাকার সমর কুমার সিং এর পুত্র উজ্জলকে কৌশলে ম্যানেজ করে আমার ভাই-বোনদের কাছ থেকে ক্রয় করেছেন মর্মে একটি জাল দলিল করে। ওই জাল দলিলের বুনিয়াদে উজ্জল আমার মালিকানাধীন দোকানঘর দখলের পাঁয়তারা করে। গত বছরের ২৬ আগস্ট সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি যার নং-১৩৫২। আদালতে একটি ১৪৫ ধারায় শুধু মাত্র আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোন প্রতিবেদন না নিয়ে মামলা করে।
আমি আদালতে নির্দেশকে সম্মান জানিয়ে ১৪৫ ধারার মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করি এবং মেয়াদ শেষ হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এলাকায় কয়েকবার বসাবসি হলে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে এবং আদালতের রায় দেখে আমাকে দোকান বুঝে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন। সে অনুযায়ী আমার ভাইরাসহ স্থানীয়দের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আমার মালিকানাধীন দোকানঘর বুঝে নিই। ওই দোকানঘরে কোন মালামাল ছিলো না। পূর্বে থেকে সালাম তার মালামাল গোপনে সরিয়ে নিয়ে যায়। ওই সালাম কোনভাবে আমার দোকানঘর দখল করতে না পেরে উজ্জলকে দিয়ে আমাদেরকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে অপপ্রচার চালিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করে। ওই দিন সেখানে কোন ভাংচুর বা লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি।
জমিতে যাতে আইনগতভাবে দখলে থাকতে পারেন সেজন্য পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ইসমাইল বাবু ও তার ভাইয়েরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *