ঢাকাSaturday , 9 February 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

মাদক মামলায় স্বর্ণকার জেলে: প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 9 February 2019, 21:06

ডেস্ক রিপোর্ট: শ্যামনগরের কৈখালীতে স্থানীয় দালালচক্রকে চাঁদা না দেওয়ায় গোপনে দোকানে মাদক রেখে এক স্বর্ণকারকে মাদক মামলায় গ্রেফতার করিয়ে জেল হাজতে প্রেরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শ্যামনগরের ভেটখালী গ্রামের মৃত সুরেন্দ্র নাথের ছেলে শ্রীমন্ত স্বর্ণকার।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমার ছোট ছেলে বাপ্পী স্বর্ণকার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের যাদবপুর বাজারে বৃষ্টি জুয়েলার্স নামক প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে জুয়েলারি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। আমার বাড়ি হতে যাদবপুর (যাদার হাট) বেশ দূরে হওয়ায় বাপ্পী ওই জুয়েলারি দোকানেই থাকা খাওয়া করে। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় কিছু দালাল বাপ্পীর কাছে চাঁদা দাবি করে। বাপ্পী তাদের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বাপ্পীর উপর ক্ষিপ্ত হয়। এরপর থেকে বাপ্পীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে তারা। এছাড়া ওই চক্রকে চাঁদা না দিলে বাপ্পীকে ভারতে তাড়িয়ে দেওয়া, মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানিসহ বিভিন্ন হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করতে থাকে তারা। এর জের ধরে গত ১ ফেব্রুয়ারি ওই চক্রটি সন্ধ্যার দিকে আমার ছেলে বাপ্পীর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে গোপনে কিছু ফেনসিডিল ও গাজা রেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ সেখানে গিয়ে ফেনসিডিল ও গাজা উদ্ধার করে। এঘটনায় পুলিশ বাপ্পীকে জেল হাজতে প্রেরণ করে। অথচ আমার ছেলে গাজা ফেনসিডিলের ব্যবসা তো দূরের কথা, সে বিড়ি সিগারেটও সেবন করে না। বাপ্পী অত্র এলাকায় স্বর্ণকার হিসেবে ইতোমধ্যে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। শুধুমাত্র ওই দালাল চক্রকে চাঁদা না দেওয়ায় পুলিশকে ভুল বুঝিয়ে বাপ্পীকে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাপ্পী অত্র এলাকায় প্রায় দুই বছর জুয়েলারি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এপর্যন্ত কেউ তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের অভিযোগ তোলেনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার নির্দোষ ছেলেকে মামলা থেকে অব্যাহতি এবং স্থানীয় ওই দালালচক্রের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *