ঢাকাSaturday , 2 February 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

পাটকেলঘাটায় ডিসিআরকৃত সম্পত্তি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 2 February 2019, 20:54

ডেস্ক রিপোর্ট: পাটকেলঘাটায় পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ডিসিআরকৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে ভবন নির্মাণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ঠিকাদার শিশির অধিকারী এই অভিযোগ করেন।
এ সময় তিনি বলেন, আমার স্থায়ীনিবাস রাজবাড়ী জেলার পাংশা এলাকায়। সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে ঠিকাদার হিসেবে দীর্ঘদিন পাটকেলঘাটার কুমিরায় বসবাস করাকালীন ২০১১-২০১২ সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের আওতাধীন পাটকেলঘাটার কুমিরা মৌজায় এস.এ ১ খতিয়ানের ১৫১০ দাগের ৩ শতক জমি বৈধভাবে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ থেকে ইজারা গ্রহণ করি।
এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলাম। সম্প্রতি আমার স্ত্রী অসুস্থ হওয়ার কারণে অত্র সম্পত্তি এবং ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করার জন্য পাটকেলঘাটা এলাকার চৌগাছা গ্রামের শেখ আসাদুর রহমানের ছেলে শেখ মখফুর রহমানকে আমমোক্তার হিসেবে নিয়োগ দান করি। তিনি বর্তমানে ওই সম্পত্তি এবং ব্যবসা বাণিজ্য দেখাশোনা করছেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে একই এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু মৃত সাধন দাশের ছেলে জয়দেব দাশ ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে ওই সম্পত্তি দখল নেওয়ার পায়তারা শুরু করে। কিন্তু সে সময় স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসন তার এ অসৎ উদ্দেশ্যে সফল করতে দেয়নি। স্বার্থলোভী জয়দেব দাশ এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কৌশলে ওই সম্পত্তি দখলে নেওয়ার জন্য ভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এরই অংশ হিসেবে সে গত ১০ জানুয়ারি লোকজন নিয়ে আবারো দখলের পায়তারা করলে আমমোক্তার মখফুর আদালতে মামলা করে। পরে আদালত তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে। তাকে নোটিশ দিয়ে আসলে সে প্রাথমিকভাবে দখল প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়। কিন্তু পরবর্তীতে আবারো ওই সম্পত্তি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করে। সে সময় আমার আমমোক্তার আদালতের আদেশ নিয়ে পুলিশের কাছে গেলে পুলিশ জয়দেবকে ওই সম্পত্তিতে কাজ না করার জন্য নির্দেশ দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে আসার পরপরই আবারো কাজ শুরু করে সুচতুর জয়দেব দাশ। বিষয়টি আবারো পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ কয়েক বার তাকে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। আমার যাতে তার কাজে বাধা দিতে না পারি সেজন্য জয়দেব দাশ স্থানীয় রফিকুল মোড়ল ও গোপাল ঘোষের নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়োগ করে রেখেছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেলেই তারা পালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবারো ওই ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর বেষ্টনির মাধ্যমে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে এবং আমার আমমোক্তারকে প্রকাশ্যে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করছে। তিনি ভূমিদস্যু জয়দেব দাশের হাত থেকে সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *