ঢাকাMonday , 7 January 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনিতে ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা, ধর্ষক গ্রেফতার

admin ঢাকা
আপডেট: 7 January 2019, 22:42

সমীর রায়, আশাশুনি: সুস্মিতা দাস। বয়স ৮ বছর। এবছর ক্লাস টু’তে উঠেছিল সে। বছরের শুরুতে নতুন বই হাতে পেয়ে পড়ার আনন্দে মাতোয়ারা ছিল মেয়েটি। কিন্তু রবিবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়তে গিয়ে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়েছে তাকে।
জানা গেছে, তার প্রাইভেট টিউটর অম্বিকা রানী বাড়িতে ছিল না। সেখানে ছিল অম্বিকার ভাই নরপশু জয়প্রকাশ সরকার। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণের পর পুকুরে চুঁবিয়ে করে হত্যা করে জয়প্রকাশ। তাতেও ক্ষ্যান্ত হয়নি সে। শিশুটির লাশ বাড়ির পিছনে ল্যাট্রিনের হাউজের মধ্যে লুকিয়ে গায়েব করার চেষ্টা করেছিল সে।
এরপর ওই শিশুর অভিভাবকদের সাথে জয়প্রকাশও তাকে খুঁজতে থাকে পুকুরে, বাগানে, বিলে সব জায়গায়। রাত ১১টার দিকে ল্যাট্রিনের ভিতর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ ঘাতক ধর্ষক জয়প্রকাশ সরকারকে আটক করে।
রবিবার রাতে লোমহর্ষক এ ঘটনাটি ঘটে আশাশুনির কুল্যা ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামে। নিহত সুস্মিতা ওই গ্রামের প্রশান্ত দাসের মেয়ে। গাবতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্রী সে।
সুস্মিতার বাবা প্রশান্ত দাস জানান, সুস্মিতা একই পাড়ার নির্মল সরকারের মেয়ে অম্বিকা রানী সরকারের কাছে রোজ সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়তো। রবিবার সে পড়তে গিয়ে জয়প্রকাশের কাছে জানতে পারে শিক্ষক অম্বিকা বাড়িতে নেই। সুস্মিতাকে পড়িয়ে দিবে বলে সে শিশুটিকে পাশের একটি দোকানে নিয়ে খাবার খাইয়ে ফের বাড়িতে নিয়ে আসে। এ সময় বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে জয়প্রকাশ মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার এক পর্যায়ে শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এরপর মেয়েটিকে বাড়ির পুকুরে ফেলে মৃত্যু নিশ্চিত করে সে। পরে লাশ তুলে ল্যাট্রিনের ভেতর লুকিয়ে রাখে বলে জানা গেছে। ধর্ষক জয়প্রকাশ বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েটে স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
এদিকে রাত ১০টা বেজে গেলেও সুস্মিতা বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। জয়প্রকাশও খোঁজাখুঁজি করতে থাকে মেয়েটিকে। রাত ১১টার দিকে ল্যাট্রিনের ভেতর থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ খবর পেয়ে রাত ১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে সোমবার (৭ জানুয়ারী) ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, শিশুটির লাশ ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। জয়প্রকাশকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। খুব দ্রুতই হত্যা রহস্য উদঘাটন হবে বলে মনে করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *