ঢাকাWednesday , 24 October 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরা-১: জলাবদ্ধতা নিরসন, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে চাই

admin ঢাকা
আপডেট: 24 October 2018, 23:17

আরিফুল ইসলাম রোহিত:
শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলু। ১৯৮২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক অধ্যয়নকালে জড়িয়ে পড়েন জাসদ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন জাসদ ছাত্রলীগের গাজীপুর জেলা কমিটির সহ-সম্পাদক হিসেবে। পরে ১৯৮৬ সালে জাসদ ছাত্রলীগের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৮৮ সালে জাসদ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে সাতক্ষীরা জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে কেন্দ্রীয় জাসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ও জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ওবায়েদুস সুলতান বাবলু পিতা সরকারি চাকুরিজীবী হওয়ার সুবাদে ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। নিজ তাগিদেই নেতৃত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে। ১৯৮৩ সালে মজিদখান শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সাথে সক্রিয়ভাবে আন্দোলন করেন। তখন তাকে কারাভোগ করতে হয়। ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ায় আবারও গ্রেফতার হন তিনি। এছাড়া ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জরুরী আইনে গ্রেফতার করা হয় তাকে। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পাটকেলঘাটা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের আজীবন সদস্য ও জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহ্বায়কের দায়িত্বে নিজেকে সঁপেছেন তিনি।
সংগ্রামী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বদানকারী জাসদ নেতা শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলু আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-১ আসন থেকে দলীয় ও ১৪ দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী।
একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশার বিষয়ে দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরার সাথে কথা বলেছেন তিনি।
ওবায়েদুস সুলতান বাবলু বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাশার বড় কারণ দলই চায় আমি প্রার্থী হই, যেন সংসদ সদস্য হয়ে সরকারের সেবাকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারি। এছাড়াও প্রতিদিনই মানুষের পাশে গিয়ে চেষ্টা করি খোঁজ-খবর নিতে। উঠান বৈঠক, মিছিল, মানববন্ধনের মাধ্যমে আমার এলাকার উন্নয়নের জন্য আরও কি কি দরকার তা জানার চেষ্টা করে যাচ্ছি। একই সাথে সকল সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায় তাও অনুধাবন করার চেষ্টা করছি। সবসময় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। বিশ্বাস রাখি দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি। তাই মানুষের পাশে ১৪ দলের একজন প্রতিনিধি হয়ে থাকার চেষ্টা করি। তাই ১৪ দলের প্রার্থী হয়ে মানুষের উন্নয়নে নিজেকে সোপর্দ করতে চাই। আমার বিশ্বাস, উন্নয়নের কর্মকা-কে আরও বেশি এগিয়ে নিতে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। ১৪ দলীয় জোট আমার উপর এই আস্থা রাখবে।
বর্তমানে কোন কোন সমস্যায় সাধারণ মানুষকে বেশি ভোগান্তি দিচ্ছে- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার আসনে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সমস্যা রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে আমাদের এই আসনের মানুষ বেশি ভোগান্তি পোহায়। এছাড়া এই এলাকার নদ-নদীগুলো দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। ন্যাব্যতা সংকটে মরে যাচ্ছে। তাই এসব নদী খনন করাও মানুষের একান্ত চাওয়া। আমার আসনে ব্যবসা-বাণিজ্যের দারুন সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনাকে ধরে রাখতে ব্যবসায়ীরা অনুরোধ জানান। আমরাও চাই সেই সমস্যাগুলো সমাধান করতে। তবে আমি সব সমস্যার সমাধান দিতে পারি আর না পারি যেন সুখে দুখে তাদের পাশে থাকতে পারি এটাই বড় চাওয়া। মানুষ সমস্যায় পড়লে নেতাদের কাছে যায়। কিন্তু নেতারা তাদের সময় দিতে চান না। এটাও সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেয়। বেকার যুব সমাজের কর্মসংস্থানের জন্য মানুষ দিনের পর দিন ভোগান্তি পোহাচ্ছে। তাই তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষ যেন কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদের দু’বেলা দু’মুঠো ভাতের ব্যবস্থা করতে পারে। সর্বোপরি মানুষের পাশে গিয়ে সুখ-দুঃখ দেখার মতো আমার এই আসনে কেউ নেই- এটাই সবচেয়ে বড় কষ্টের। সেই কষ্ট লাঘব করতে চাই।
দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে কোন কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেবেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি সুপ্রভাত সাতক্ষীরাকে জানান, আমার সংসদীয় আসন বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। এসব সমস্যার মধ্যে যে বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে চাই- তার প্রথম হলো জলাবদ্ধতা নিরসন। এই জলাবদ্ধতার কারণে আমার আসনের মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহায়। তাই আমার প্রধান লক্ষ্য আমার এলাকা থেকে জলাবদ্ধতা নিরসন করা। দ্বিতীয়ত- আমি চাই একটি এমন সমাজ যেখানে থাকবে না জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস ও মাদক। এসব নির্মূল করতেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ অব্যাহত থাকবে। তৃতীয়ত- আমার আসনের শিক্ষার মান আরও বেশি উন্নত করে দেশের মাঝে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করতে চাই। দেশের মানুষকে যেন আমার এই আসন থেকেই লেখাপড়া জানা ছেলে-মেয়েরা নেতৃত্ব দিতে পারে। এমনটাই আমি প্রত্যাশা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *