ঢাকাMonday , 22 October 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

চুকনগরে প্রতারণা: ভ্যানচালক সোনার মূর্তি তুলে পেল পিতলের মূর্তি

admin ঢাকা
আপডেট: 22 October 2018, 21:00

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, চুকনগর (খুলনা): চুকনগরে মোবাইলে প্রতারণার মাধ্যমে এক ভ্যান চালকের ৬০হাজার টাকা খোয়া গেছে। বিনিময়ে তাকে সোনার মূর্র্তির বদলে একটি পিতলের মূর্তি দেয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী উপজেলার চাকুন্দিয়া গ্রামের মৃত কাজেম আলী সরদারের ছেলে ভ্যান চালক মিজানুর রহমান খোকন জানান, বেশ কয়েকদিন আগে তার ব্যবহৃত ০১৯৯০-৫৩৮১৭২ নং মোবাইলে ০১৭১৯-৭২৪৪০১/০১৬৪০-১৫০৫১৮ নং থেকে কল আসে। কল আসার পর কথা বলাবলির এক পর্যায়ে পরিচয় হয়। এর দুইদিন পর ঐ নম্বর থেকে আবার তার নম্বরে কল আসে। কথা বলতে বলতে তিনি তাকে বলেন ভাই আমি কিন্তু কোন মানুষ না। আমি জ্বীনের দেশে বাস করি। তিনি আরও বলেন তুমি যদি আমার কথা মত চলতে বা কথা মানতে পারে তাহলে সংসারে আর অভাব থাকবে না। এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন। একথা শোনার পর খোকনের কৌতূহল বেড়ে যায়। পরে বিভিন্ন সময়ে কথা বলতে বলতে এক সময় তিনি বলেন, তোমার জন্য একটি সোনার মূর্তি আমাদের পক্ষ থেকে বরাদ্দ হয়েছে। তুমি ডুমুরিয়া কলেজের সামনে একটি (নির্দিষ্ট করে বলেন) গাছের কাছে যাবে। গাছের পাশে মাটির নিচে লাল কাপড়ে মোড়ানো মূর্তিটির সামান্য মাথা তুমি দেখতে পাবে। কিন্তু খুলে দেখা যাবে না। বিষয়টি কাউকে না জানিয়ে গোপনে আলো মাটি দিয়ে ঘর লেপে মূর্তিটি তোমার বসত ঘরের মাঝখানে পুতে রাখবে। মিজানুর রহমান ওই স্থান থেকে মূর্তিটি এনে তার কথামত সকল কাজ সম্পন্ন করেন। কিন্তু সোনা নামে পিতলের মূর্তিটি পেতে তাকে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। শর্তানযায়ী গত ১৪ অক্টোবর তাকে ০১৭৯৮-০২৩৪৩৩ নম্বরে ১০ হাজার, ০১৭৭৪-৯৮২৩২৭ নম্বরে ১০ হাজার, ০১৭৪৬-৫৩৮৩৯১ নম্বরে ১৫ হাজার, ০১৭৪৬-৫৫২৫৬৯ নম্বরে ১৫ হাজার, এতিম শিশুদের খাওয়ানোর জন্য ও আগরবাতি-ধুপবাতি ক্রয়ের জন্য আরও ২-৩ হাজার টাকা দিতে হয়। টাকা দেয়ার ১-২ দিন পর সোনার মূর্তিটি ঘর থেকে তুলে বিক্রয় করার কথা তাকে বলা হয়। সেই মোতাবেক মিজানুর রহমান গত ১৬ অক্টোবর সোনার মূর্তি তুলে দেখতে পান সোনার বদলে তাকে পিতলের মূর্তি দেয়া হয়েছে। এ সময় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা আজাহারি করলে এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পারে। জানা যায়, উক্ত ৬০-৬২ হাজার টাকা তিনি লোন করে নিয়ে বিকাশ করেন। গত ৩-৪ দিন ধরে উক্ত নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করেও অপর প্রান্ত থেকে কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে পুরো পরিবারটি আর্থিক অনটন ও চরম হতাশায় দিন যাপন করছে। তাই ভুক্তভোগী পরিবারসহ এলাকাবাসী মোবাইল ট্রাকিং এর মাধ্যমে এই প্রতারক চক্রকে ধরে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *