ব্রহ্মরাজপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই মেম্বরের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
শামছুজ্জামান আকাশ, ব্রহ্মরাজপুর: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের মাসিক সভা চলছিল। সভায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব, সাধারণ সদস্য, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ছাড়াও ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বর কুরবান আলীর ছেলে বাবু উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বর রেজাউল করিম মিঠু মেম্বর কুরবান আলীর ছেলে বাবুকে চলে যাওয়ার কথা বললে হঠাৎ মেম্বর কুরবান ও তার ছেলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং মারপিট করতে উদ্যত হয়। এ সময় উভয়ের মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি শুরু হলে চেয়ারম্যান ও মেম্বররা মিলে উভয়পক্ষকে শান্ত করে। পরবর্তীতে দুই মেম্বরের সমর্থকরা খবর পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে হাজির হয়। শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এ সময় মেম্বর কুরবান আলীর ভাগ্নে মকবুল ও মেম্বর রেজাউল করিম মিঠুর ভাই আব্দুর রহিম বাবু সামান্য আহত হন। খবর পেয়ে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই শিল্লুর রহমান ও এএসআই কুতুব উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরবর্তীতে সেখানে উপস্থিত হন সাতক্ষীরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম ও পরিদর্শক (অপারেশন) সেকেন্দার আলী। পরে তাদের উপস্থিতিতে মেম্বর কুরবান আলীর ছেলে বাবু ঘটনার জন্য মেম্বর মিঠুর কাছে মাফ চাইলে চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিলীপ কুমার মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক ও মেম্বর নুর ইসলাম মাগরেব, জেলা তাঁতী লীগের সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান তুহিন, ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কুদ্দুস, প্যানেল চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, সচিব আমিনুর রহমান, মেম্বর এসএম রেজাউল ইসলাম, রেজাউল করিম মঙ্গল, কালিদাস সরকার, মালঞ্চ খাতুন, মর্জিনা খাতুন লিলি, ভৈরবী বিশ্বাস প্রমুখ। চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মাসিক সভায় শুধুমাত্র চেয়ারম্যান, সচিব, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যরা উপস্থিত থাকতে পারেন।

Leave a Reply