ঢাকাMonday , 3 September 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনির শ্বেতপুরে বিদ্যুতের আলো থেকে বঞ্চিত শতাধিক পরিবার

admin ঢাকা
আপডেট: 3 September 2018, 22:27

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনির বুধহাটা ইউনিয়নের শ্বেতপুরে বিদ্যুতের আলো থেকে বঞ্চিত রয়েছে প্রায় শতাধিক পরিবার। উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ শ্লোগানে বিদ্যুতায়নের কাজ চললেও শ্বেতপুর পশ্চিম পাড়া নেই এই তালিকায়। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়াসহ দৈনন্দিন জীবনের চাহিদা মেটাতে দ্রæত বিদ্যুৎ সংযোগের দাবি জানিয়েছেন সুবিধা বঞ্চিত পরিবারগুলো।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শ্বেতপুর গ্রামের পশ্চিম পাড়া এলাকার আব্দুর রহিমের দোকানের পর থেকে এবং শ্বেতপুর পশ্চিমপাড়া আহলে হাদীস জামে মসজিদ এলাকা পর্যন্ত প্রায় শতাধিক পরিবার বসবাস করে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেখানে বিদ্যুৎ সুবিধা পায়নি পরিবারগুলো।
শ্বেতপুর পশ্চিমপাড়া আহলে হাদীস জামে এলাকার মহাসিনা বেগম জানান, পল্লী বিদ্যুতের জন্য পাড়ার অনেকের সাথে তিনিও ২০১৪ সালে বৈদ্যুতিক খুটির আবেদন করেছিলেন। সেই সময় কর্মকর্তাগণ মেপে গেলেও এখনও পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি।
ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী স্বপ্না পারভীন জানান, বিদ্যুতের অভাবে শিক্ষার্থীদের ল্যাম্প ও হারিকেন জ্বালিয়ে গরমের মধ্যে অনেক কষ্টে পড়াশোনা করতে হয়।
বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র মাসুদ রানা, সাহেব আলী, কওছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী খুকুমনি, আখলিমা খাতুন, সুন্দরবন টেকনিক্যাল কলেজের ছাত্র মফিজুল ইসলাম বলেন, সামনে আমাদের পরীক্ষা কিন্তু বিদ্যুতের অভাবে আমাদের খুব ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কেরোসিনের ল্যাম্প, হ্যারিকেন না হয় পাশের পাড়া থেকে চার্জার লাইট চার্জ করে এনে তারপর পড়তে হয়।
প্রযুক্তির প্রসার ঘটাতে সরকার যেখানে শিক্ষর্থীদের কম্পিউটার সাবজেক্ট বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন, সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় এসব পরিবারের ছেলেমেয়েদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে অন্যের কাছে কম্পিউটার শিখতে হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে এ পাড়ার লোকজনকে।
এ ব্যাপারে আশাশুনি পল্লী বিদ্যুতের এজিএম’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, বিষয়টি পাটকেলঘাটা অফিস দেখাশুনা করে, আপনারা সেখানে যোগাযোগ করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *