ঢাকাWednesday , 22 February 2023
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

খাজরায় বিয়ের দাবিতে অর্নাস পড়ুয়া নারীর অনশন

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 22 February 2023, 21:47

নুরুল ইসলাম (খাজরা) আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনির খাজরার পল্লীতে অর্নাস পড়–য়া এক নারী বিয়ের দাবিতে ছেলে পক্ষের বাড়িতে ২সপ্তাহ ধরে অনশনে রয়েছেন। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত তিনি এখান থেকে কোথাও যাবেন না বলে জানিয়েছেন।

ঘটনা স্থল পরিদর্শনে জানা জানা যায়,যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার হাটগাছা গ্রামের সমীর কান্তি বৈরাগীর কন্যা রানী (ছদ্দ নাম) নামের এক নারী নিজের বিয়ের দাবি পূরণের জন্য খাজরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গজুয়াকাটি গ্রামের সুবোল সরকারের পুত্র সমীরণ সরকারের বাড়িতে বর্তমানে অবস্থান করছেন।
অনশনরত নারী রানী জানান,প্রায় তিন বছর আগে খুলনা বিএল কলেজে পড়াশুনাকালীন অভিযুক্ত সমীরনের সাথে আমার প্রেমের সম্পূর্ক গড়ে ওঠে। সেই থেকে আমাদের পরিচয়। এমনকি আমাকে বিয়ের আশ^াস দিয়ে একাধিক বার আমার বাড়িতে গিয়েছে। এখন আমার সাথে আর যোগাযোগ রাখছে না। বাধ্য হয়ে আমি তার ঠিকানা খুঁজে চলে এসেছি। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন,অভিযুক্ত সমীরণ আমার সাথে প্রতারণা করছেন। তার গ্রামের বাড়ির সঠিক ঠিকানা আমাকে কোন দিন দেয় নি। আমার মান সম্মান সব শেষ করে দিয়েছে।

প্রেমের সম্পূর্কে কি কি প্রমাণ আছে এমন প্রশ্নের উত্তরে নারীটি মোবাইল ফোনে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে তাদের কথোপকথনের তথ্য ছাড়া আর কিছু দেখাইতে পারি নি। এবিষয়ে অভিযুক্ত সমীরণ সরকারের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন নম্বরে কথা বলার চেষ্টা করিলে তার বন্ধ থাকায় তার মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সমীরনের মা জানান,আমার ছেলে বাড়িতে নাই। সে কোথায় আছে কোন যোগাযোগ নেই। আমরা আমাদের ছেলের কাছে সব কিছু শুনেছি। সে বলেছে তার সাথে আমার শুধু মাত্র বন্ধুত্বের সম্পূর্ক ছিল। আমি কখনও তাকে বিয়ের আশ^াস দেয় নি।

অভিযুক্ত সমীরনের মা কেঁদে কেঁদে বলেন,আমার স্বামী মানষিক ভারসাম্যহীন মানুষ। আমার ছেলেটাও পাশে নেই। আমার বাড়িতে অচেনা একটা মেয়ে। কখন কি হয় না হয় সেই ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
প্রতিবেশী বিজন সরকার জানান,সমীরণ সরকার আমাদেরকে জানিয়েছেন মেয়েটির সাথে আমি দেখা করব না। সে কেস করে করুক। দেখা হলে কোটেই হবে।

এবিষয়ে ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাসমত ঢালী জানান,ঘটনা শোনা মাত্রই আমি সমীরণের বাড়িতে গিয়েছিলাম। ঐ নারীর কাছে বিস্তারিত শুনে তার অভিভাবকের সাথে কথা বলতে চাইলে সে রাজি হয় নি। তারপর আমি আর কিছু জানি না।
এলাকাবাসীর দাবি দ্রæত স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও আশাশুনি থানা প্রশাসনের মাধ্যমে এঘটনার সমাধান করার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *