ঢাকাWednesday , 17 October 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দেবহাটার ঘলঘলিয়ায় মাদ্রাসায় পতাকা না টানানোর অভিযোগ!

admin ঢাকা
আপডেট: 17 October 2018, 21:40

দেবহাটা প্রতিনিধি: সময় ১২টা বেজে ১৯ মিনিট। তখনও টানানো হয়নি জাতীয় পতাকা। অফিসের টেবিলে পড়ে আছে পতাকা। তাতে জমে আছে ধূলাবালি। এভাবেই দিনের পর দিন পতাকা না টানিয়ে মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ঘলঘলিয়া দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, মাদ্রাসাটির সুপার নেই। তাই তার স্থলে অলিখিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন একজন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী, নাম মোশারফ হোসেন। পূর্বের দায়িত্বে থাকা সুপারের নাম আব্দুল্ল্যাহ। নাশকতার মামলা ও ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে এলাকা ছাড়া তিনি। আর তাই উপজেলার মিটিং, মাদ্রাসার পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ সকল কাগজপত্রে স্বাক্ষর নকল করে মাদ্রাসাটি পরিচালনা করছেন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী মোশারফ হোসেন। এদিকে, মাদ্রাসা কমিটির সদস্যরা নতুন সুপার নিয়োগ তো দূরের কথা ঐ কর্মচারীকে দিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনাসহ যাবতীয় হিসাব নিকাশ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, কয়েক বছর পূর্বে মোশারফ হোসেন কয়রা থেকে ইমামতির করার সুবাদে সাতক্ষীরার দেবহাটায় আসেন। পরবর্তীতে জামায়াতের নেতৃবৃন্দের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। এরপর ঘলঘলিয়া মাদ্রাসায় ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নাইট গার্ড পদে যোগদান করেন। কিছুদিন পর মাদ্রাসার সুপার আব্দুল্ল্যাহ পালিয়ে যাওয়ায় এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় চেপে বসেন মোশারফ হোসেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে ঘলঘলিয়া, পাচপোঁতা, রহিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় গাছ কাটা, অগ্নিসংযোগ চালানোর অভিযোগ রয়েছে বলে জানান স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। কিন্তু মোশারফ হেসেন কৌশল খাটিয়ে নাশকতা, সহিংসতা মামলা থেকে পরিত্রাণ পেয়ে যান। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত হলে ভোলপাল্টিয়ে বর্তমানে উপজেলা ওলামালীগের সাধারণ সম্পাদকের দাবি করে যাচ্ছেন তিনি।
এবিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন জানান, ওলামা লীগের কমিটির অনুমোদন প্রদান করা হয়নি। কেউ যদি মিথ্যা পরিচয় দেয় তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিষয়ে মোশারফ হোসেন জানান, পতাকা তুলতে ঝামেলা আছে তাই মাঝে মাঝে টানানো হয় না। তবে, সুপার না থাকায় আমি মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালনা করছি। বিষয়টি সবাই জানে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজ-আল-আসাদ জানান, জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হলে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *