ঢাকাFriday , 6 January 2023
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কালিগঞ্জে নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠদানে ৬২২ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 6 January 2023, 21:05

নিজস্ব প্রতিনিধি: সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের নতুন পাঠ্যক্রমের প্রচার শীর্ষক অনুমোদিত স্কিমের আওতায় উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকদের শিক্ষাক্রম বিস্তরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ জানুয়ারী) সকাল ৯ টায় কালিগঞ্জ সরকারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৬২২ জন শিক্ষককে ৩২ জন প্রশিক্ষকের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদ মেহেদী।

তিনি তার বক্তব্য স্মার্ট সিটিজেন,স্মার্ট ইকোনমি ও স্মার্ট সোসাইটি বিনির্মানে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকার কথা তুলে ধরে সর্বস্থরের মানুষকে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে সহযোগিতার আহবান জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমান, উপজেলা আইসিটি ট্রেনিং সেন্টার এÐ রিসোর্স সেন্টারের সহকারী প্রোগ্রামার নাছিম ছায়াদাত,কালিগঞ্জ সরকারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) বরুন কুমার, শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি সুব্রত কুমার বৈদ্য, উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার সাইফুল ইসলাম।
৬ ও ৭ জানুয়ারি এবং ১৩,১৪ ও ১৫ জানুয়ারী প্রতিদিন সকাল ৯টা হতে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৫ দিন এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি অনুষ্ঠিত হবে।

ইতিপূর্বে মুক্তপাঠ অনলাইন প্লাটফর্মে সারাদেশের শিক্ষকদেরকে নতুন কারিকুলামের বিষয় ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ধারণা দেওয়া হয়েছে।
নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতি, মূল্যায়ন ও পাঠক্রমে অনেক পরিবর্তন এসেছে।
এর মধ্যে প্রথম শ্রেণী থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোন পরিক্ষা না নিয়ে , শুধু বিভিন্ন রকমের শিখন কার্যক্রমের ভিত্তিতে মূল্যায়ন হবে। কিন্তু পরবর্তী শ্রেণিগুলোতে মূল্যায়নের পদ্ধতি হিসেবে পরীক্ষা ও শিখন কার্যক্রম উভয় থাকছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *