ঢাকাThursday , 29 December 2022
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরা পৌরসভার গেটে তালা দিয়ে কর্মচারীদের অনশন

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 29 December 2022, 20:50

নিজস্ব প্রতিবেদক : চার মাসের বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে সাতক্ষীরা পৌরসভা ভবনের গেটে তালা লাগিয়ে অনশন করেছে পানি শাখার কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত টানা ৬ ঘন্টা চলে অনশন কর্মসূচি। এতে করে বিপাকে পড়ে পৌরসভায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। কর্মসূচিতে সাতক্ষীরা পৌরসভার পানি শাখার কর্মচারীরা তাদের চার মাসের বকেয়া বেতনের পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ে বেতন-ভাত পরিশোধের দাবি জানান। পরে সকল কাউন্সিলরদের আশ্বাসে অনশন কর্মসূচি বন্ধ করেন। পানি শাখার মিটার রিডার শহিদুল ইসলাম জানান, বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে আমরা সকাল থেকে আন্দোলন শুরু করি।

বিকাল তিনটায় পৌরসভার প্যানেল মেয়র কাজী ফিরোজ হোসেনের নেতৃত্বে সকল কাউন্সিলর আমাদের দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করেন। আমরা যাতে বেতন ভাতা পাই সেজন্য সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। আমরা তাদের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করেছি। পানি শাখার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মুদিখানার দোকান গুলোতে আমাদের হাজার হাজার টাকা বাকি হয়েছে। গত চার মাস ধরে মেয়র মহোদয় আমাদের বেতন ভাতা দেওয়ার আশ্বাস দিলেও আমাদের বেতন ভাতা দিচ্ছেন না। তাই আজ বাধ্য হয়ে আমরা কর্ম বিরতির পাশাপাশি পৌরসভার গেটে তালা দিয়েছি। আন্দোলনরত কর্মচারী বাবলু বলেন চার মাস বেতন বন্ধ থাকায় আমরা খুবই দুর্বিষহ জীবন যাপন করছি। বেতন না দেওয়া পর্যন্ত আমরা পাম্প চালাবো না। সাতক্ষীরা পৌরসভার প্যানেল মেয়র কাজী ফিরোজ হোসেন বলেন, নিয়ম বহির্ভূত ভাবে মেয়র তাসকিন আহমেদ ৭৬ লক্ষ ৫৬ হাজার ৯শ২ টাকার পানির বিল মওকুফ করেছেন। তাছাড়া বিদ্যুৎ বিলের সাথে পানির বিলের সমন্বয় না থাকার কারণে পানি শাখার এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরো বলেন, মেয়রের এমন নিয়ম বহির্ভূত কাজ ও পৌরসভার টাকা আত্মসাতের কারণে আমরা সকল কাউন্সিলর তার বিরুদ্ধে অনাস্থা দিয়েছি।

আন্দোলনরতদের আমরা সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছি। আশা করি দ্রæত সময়ের ভেতরে তাদের সমস্যা সমাধান হবে। এবিষয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতি অনশনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমি মোবাইলে কিছু বলি না। আগামীকাল অফিসে আসেন আমার কাছে সব ডকুমেন্ট আছে, দেওয়া যাবে’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *