ঢাকাMonday , 10 October 2022
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনিতে বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন: প্লাবনের আশঙ্কা

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 10 October 2022, 21:21

সমীর রায়, আশাশুনি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট ও প্রতাপনগর ইউনিয়নের রুইয়ারবিল গ্রামে খোলপেটুয়া নদী ও কপোতাক্ষ নদের তীরে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধের সংস্কার কাজ চলমান অবস্থায় বসতবাড়ি সংলগ্ন বেড়িবাঁধ হঠাৎ করে নদীগর্ভে ধসে পড়ায় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

অব্যাহত ভাঙনে প্লাবনের শঙ্কায় নির্ঘুম রাত কাটছে দুই ইউনিয়নবাসীর। রিং বাঁধ ও বালির বস্তা দিয়ে ভাঙন রোধে কাজ করে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
আনুলিয়া ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বিকাশ চন্দ্র সরকার জানান, গত কয়েক দিন ধরে খোলপেটুয়া নদীর অব্যহত ভাঙনে বিছট গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোক্তার হোসেনের বাড়ি সংলগ্ন বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। সোমবার জোয়ারে প্রায় ১৫০ ফুট বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বালির বস্তা দিয়ে রিং বাঁধ নির্মাণ করে আপাতত ঝুঁকি এড়ানো হয়েছে।

এছাড়া প্রতাপনগরের রুইয়ারবিল গ্রামে স্থানীয় নওয়াব আলী সরদারের মৎস্য ঘের সংলগ্ন এলাকায় কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত রবিবার প্রায় ২০০ ফুট বেড়িবাঁধ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস ও আলমগীর হোসেন জানান, আনুলিয়ার বিছট গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধের পাশ দিয়ে রিং বাঁধ নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। রবিবার দিবাগত রাত (সোমবার ) দুইটা পর্যন্ত ঠিকাদার জাকির হোসেন ও আমি নিজে উপস্থিত থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় রিং বাঁধ দিয়ে এলাকা ঝুঁকিমুক্ত রাখা হয়েছে। রুইয়ারবিলে ভাঙন এলাকায় গত বছর ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হলেও তিনি কাজ না করায় সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে সেখানে বালির বস্তা দিয়ে ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া কাকবাসিয়া খেয়াঘাট থেকে চেউটিয়া গ্রামে প্রায় ২২০ মিটার বেড়ি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে সেখানে বরাদ্দ হয়েছে অবিলম্বে কাজ শুরু হবে। বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হলেও আমরা বাঁধ টিকিয়ে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রুহুল কুদ্দুস ও হাজী দাউদ ঢালী এ প্রতিবেদককে জানান ঠিকাদারদের গাফিলতির কারণে আমরা প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে চলেছি। টেঁকসই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে দক্ষিণাঞ্চলের দুর্ভোগ কমাতে ঊর্ধ্বতন আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *