খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, জোহারার স্বামী আব্দুল জব্বার কারিগর প্রায় ১৬ বছর আগে মারা গেছেন। স্বামীর পারিবারিক অবস্থা ভালো না থাকায় তেমন কোন সুযোগ সুবিধা না পেয়ে স্বামীর মৃত্যুর অন্যের কাছ থেকে চেয়ে কোন রকম দিন পার করতেন। স্বামীর বাড়িতে ভালো বাসস্থান না থাকায় কোন রকম পলিথিনে ঘেরা ও টালির ছাউনি খুঁপড়িতে বসবাস করতেন জোহরা। বসতঘরটি ঝড় বৃষ্টিতেই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ঘরের ছাউনি দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে। এতে নিমেশেই শেষ হয়ে যায় জোহরার মাথা গোঁজার ঠাই। সেই সাথে ভেঙে পড়া ঘরের আঘাতে মাথা ফেটে যায় জোহরার। ঘর ভেঙে পড়ার শব্দ শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে জোহরা বেগমকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয় চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা শেষে প্রতিবেশীর বাড়িতে রেখে আসেন। বর্তমানে তিনি ঐ প্রতিবেশীর বাড়ির বারান্দায় দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনা শোনামাত্র আমি অসহায় জোহরা বেগমকে দেখতে যায়। তাৎক্ষনিক ভাবে তার জন্য ডাক্তার এনে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। তার সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় ঔষধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পরিবারটির জন্য দরকার একটি মাথা গোঁজার ঠায়। আমরা উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি তার জন্য যদি একটা মাথা গোঁজার ঠায় নির্মান করার।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।