ঢাকাTuesday , 16 August 2022
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনির খাজরা-আমাদী খেয়াঘাটের সংযোগ রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী দ্রæত সংস্কার দাবি

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 16 August 2022, 22:12

নুরুল ইসলাম, খাজরা : আশাশুনির খাজরা-আমাদী খেয়াঘাটের সংযোগ রাস্তাটি কপোতাক্ষ নদের জোয়ারের ঢেউয়ে ভেঙে ভেঙে সংকীর্ণ হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সংকীর্ণ এ রাস্তাটি জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় পথচারীদের কাদাপানিতে ভিজে ভোগান্তিতে জেরবার হতে দেখা গেছে। সরজমিনে খাজরা খেয়াঘাট এলাকা ঘুরে খেয়ামাঝি আশরাফ আলী গাজী জানান, খাজরা বেড়িবাঁধ থেকে পাকা খেয়াঘাটির সংযোগ রাস্তাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০০ মিটার। ২০১২ সালে পাকা খেয়াঘাটের সাথে ৬ ফুট প্রস্থের এ রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। নদের নাব্যতা হারানোর ফলে পাকা খেয়াঘাটটি চরের মাটির নীচে চলে গেছে। এখন অমাবস্যা-পূর্ণিমার গোণমুখে জোয়ার হলেই রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যায়। এসময় পথচারী নারী, শিশু, বৃদ্ধদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। রাস্তাটি ভাঙতে ভাঙতে কোথাও কোথাও মাত্র এক দেড় ফুট অবশিষ্ট আছে। দুইজন পাশাপাশি চলাচল করা যায়না।

খেয়াঘাট সংলগ্ন চিংড়ি চাষী স্থানীয় গৌতম রায় জানান- খেয়াঘাটটির ওপারে কয়রা উপজেলার আমাদী বাজার, জায়গীমহল হাসপাতাল, কলেজ ও স্কুল হওয়ায় আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন এপার থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী ওপারের স্কুল কলেজে যাতয়াত করে। খাজরা ও আনুলিয়া আশাশুনি উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন হওয়ায় পার্শ্ববর্তী প্রায় ২০ গ্রামের অসুস্থ মানুষেরা জায়গীরমহল হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকেন।
এছাড়া প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার আমাদী বাজারে হাট বসে বিধায় এ খেয়াঘাটটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কপোতাক্ষের নাব্যতা হারানোর ফলে জোয়ারের পানি যেকোন নিন্মচাপে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রাস্তাটি তলিয়ে যায়। এতে খেয়াঘাটে মালামাল সহ পথচারী ও স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে ভোগান্তির সীমা থাকে না।

পথচারী গীতা দাস ও রীতা রায় বলেন, পাকা খেয়াঘাট চরের মাটিতে ঢেকে যাওয়ায় জোয়ার ভাটার সময় মহিলা ও বাচ্চাদের চলাচলে খুবই অসুবিধা হয়।
খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ডালিম জানান, জনগুরুত্বপূর্ণ এই খেয়াঘাটি আমি নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১২ সালের দিকে নির্মাণ করেছিলাম। নদী ভরাটের ফলে পাকা খেয়াঘাট ও এর সংযোগ রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। নতুন করে যুগোপযোগী একটি খেয়াঘাট ও রাস্তা নির্মাণের জন্য আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।
নতুন করে খেয়াঘাট ও রাস্তাটি উঁচু করে নির্মাণ করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *