পৌর কাউন্সিলার আইনুল ইসলাম নান্টার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার মো. আইনুল ইসলাম নান্টাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে এবং তার সকল সহকর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুন) বিকেলে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডবাসী ও পুরাতন সাতক্ষীরা হাটখোলার সকল দোকানদারবৃন্দ এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে মো. আইনুল ইসলাম নান্টার মুক্তি চেয়ে ও তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বক্তব্য রাখেন পৌর ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ভিপি কাদের, অসীম কুমার সাধু, অরূপ কুমার ঘোষ, শম্ভু ঘোষ, বলাই দে, রবিউল ইসলাম রবি, মো. সালাউদ্দীন প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘একজন মাদকাসক্ত ও মাদককারবারীর দায়ের করা মিথ্যা এজাহারের তদন্ত না করে পুলিশ একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তাকে গ্রেফতার করেছে। পৌর ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার মো. আইনুল ইসলাম নান্টা সকলের আস্থাভাজন ব্যক্তি। সে সর্বদা মানুষের জন্য ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন’।
বক্তারা বলেন, ‘কাউন্সিলার মো. আইনুল ইসলাম নান্টা ধনী-গরীব, সাদা-কালো বা কোন ধর্ম-বর্ণের বিবেচনা না করে সবসময় সত্যের পক্ষে লড়াই করেছেন। তার কাছ থেকে কেউ কখনো ন্যায় বিচার পায়নি এমন রেকর্ড নেই। অথচ সম্প্রতি ইমাদুল হক নামের এক প্রতারক ও মামলাবাজ ব্যক্তির মাদকাসক্ত ছেলে ওহিদুজ্জামানের অন্যায়ের সাথে আপোষ না করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়েছিলেন কাউন্সিলার মো. আইনুল ইসলাম নান্টা। তারা প্রথমে বিচার মানতে চেয়ে বিভিন্ন ধরনের তালবাহানা করে। পরে একটি মিথ্যা নাটক সাজিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগে এজাহার দায়ের করে। কিন্তু পুলিশ কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই মামলা নিয়ে জনপ্রিয় কাউন্সিলার মো. আইনুল ইসলাম নান্টাকে গ্রেফতার করেছে। যা খুবই দুঃখজনক ঘটনা’। মানববন্ধনে বক্তারা কাউন্সিলার মো. আইনুল ইসলাম নান্টার মুক্তিসহ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
তারা বলেন, যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মো. আইনুল ইসলাম নান্টার মুক্তি দিয়ে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না হয় তাহলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তবে ঘটনাস্থলে সরজমিনে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মামলার এজাহারের উল্লেখিত ২নং আসামী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী উজ্জল কুমার সাধু সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। অথচ তার নামও মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায়ও স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে’।
এ বিষয়ে উজ্জল কুমার সাধু জানান মামলায় উল্লেখিত ঘটনার সময়ে তিনি শহরের বাসটার্মিনালে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অনিক মটরসে অবস্থান করছিলেন। পাশর্^বর্তী ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে উজ্জল কুমার সাধুর কথার সত্যতাও পাওয়া গেছে। তবে কীভাবে তদন্ত ছাড়া পুলিশ সাধারণ মানুষের নামে মামলা নেন এ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

Leave a Reply