ঝাউডাঙ্গা প্রধান সড়কের পাশে অবৈধ বালির ব্যবসা,জনদূভোর্গ চরমে
আব্দুস সালাম, ঝাউডাঙ্গা প্রতিনিধি: সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ওয়ারিয়া মন্দির থেকে গোপীনাথপুর পর্যন্ত যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়কে দুই পাশে অবৈধ বালুর ব্যবসা গড়ে উঠেছে। এছাড়াও সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রধান সড়কের পাশে এ ধরনের অবৈধ বালির ব্যবসা , জনদূভোর্গ চরম আকার ধারন করেছ যেন দেখার কেউ নেই। সরেজমিনে দেখা যায় , যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়কে দু’পাশেই ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে ইট, খোয়া ও অবৈধ বালির ব্যবসা। অল্প বাতাসে ধুলা বালি উড়তে থাকে।এ সব ধুলা বালির কারণে প্রধান সড়কে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। যানবাহন চলাচলের ফলে ধুলা বালির সৃষ্টি হয় তার উপর আবার প্রধান সড়কের পাশে অবৈধ বালির ব্যবসার কারণে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে পথচারীরা। তাছাড়া রাস্তার পাশে অবৈধ বালি ইট ও খোয়ার স্তুপ থাকার কারণে যে কোন মূহূর্তে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।এ বিষয় কয়েকজন পথচারীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন ,রাস্তায় চলতে গেলে একেতো যান বাহনের ধুলা তার উপর প্রধান সড়কের পাশে বালি রেখে বিক্রি করার কারণে রাস্তায় চলতে গেলে নাকে মূখে হাত দিয়ে চলতে হয়। সে কারণে দূঘর্টনার সৃষ্টি হয়। তাছাড়া এই প্রধান সড়ক দিয়ে বৃদ্ধ, স্কুলগামী ছাত্র- ছাত্রী ও শিশুরা প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে। ধুলো বালির কারণে নানা ধরনের রোগের সৃষ্টি হয়।
ঝাউডাঙ্গায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পথচারী, তিনি এ বলেন ,প্রতিনিয়ত আমি এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করি ।কিন্তু ধুলা বালির কারণে প্রধান সড়ক দিয়ে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়।তাছাড়া প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটে এই প্রধান সড়কে বলে তিনি জানান। তিনি এ বিষয়ে আরো বলেন, এ ধরনের ব্যবসা যাতে প্রধান সড়কের পাশে না থাকে তার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের ডাঃ নাসিরউদ্দীন কাছে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, ধুলো বালির কারণে শ্বাস কষ্ট এলার্জি, এ্যাজমা রোগীদের বেশী সমস্যা হয়্ এবং প্রতিনিয়ত এ ধরনের রোগীর শরীরে ধুলা বালি প্রবেশ করে তাহলে তাদের এ ধরনের রোগ দিগুন বৃদ্ধি পায় বলে তিনি জানান।
এ বিষয় সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে মুঠোফোনে এ প্রতিবেদক অবৈধ ভাবে প্রধান সড়কের পাশে বালি রেখে বিক্রয়ের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা বিভিন্ন সময় লিফলেট ,ফেসটুন ব্যানার ও মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচার করে থাকি।তাছাড়া ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সংকটের পাশে অবৈধ বালির ব্যবসার জরিমানা ও উচ্ছেদের ব্যবস্থা করি।প্রধান সড়কের পাশে এ ধরনের ব্যবসা করা যায় কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রধান সড়কের পাশে ,এ ধরনের ব্যবসা সম্পূর্ন অবৈধ বলে তিনি জানান।তিনি আরো বলেন আমাদের পাশে থেকে যদি প্রশাসন সহযোগিতা করে তাহলে এ ধরনের কাজ বন্ধ করা সম্ভব।এ বিষয় সাতক্ষীরা পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে মুঠোফোনে এ প্রতিবেদক প্রধান সড়কের পাশে অবৈধ বালির ব্যবসার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, সকল দপ্তর যদি এক যোগে এধরনের উদ্যোগ গ্রহন করে তাহলে প্রধান সড়কের পাশ থেকে এ ধরনের সকল অবৈধ ব্যবসা উচ্ছেদ করা সম্ভব বলে তিনি জানান।

Leave a Reply