ঢাকাSaturday , 28 May 2022
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

একাংশ ভেঙে দেওয়ার পরও নিষেধ অমান্য করে অবৈধ নির্মাণ কাজ অব্যহত


May 28, 2022 10:01 pm
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিপরীতে প্রাণসায়ের খালের ব্রীজের পূর্ব পাশে পৌরসভার জায়গা দখল করে অবৈধ নির্মিতব্য স্থাপনার একাংশ ভেঙে দেওয়া হলেও ছুটির দিন আবারো শুরু করা হয়েছে নির্মাণ কাজ। শুক্রবার তড়িঘড়ি করে ভবনের উপর চাল নির্মাণ করা হয়েছে।
শহরের পোষ্ট অফিস মোড়ের সাইফুল ইসলাম, জনাব আলীসহ কয়েকজন জানান, ফুড অফিস মোড়ের নিজ জমির চারি পাশের পৌরসভার কিছু জমি দখল করে ইতিমধ্যে প্রয়াত ডাঃ কোমরউদ্দিনের ছেলে অ্যাড. সরফউদ্দিন ও তার দু’ ভাই মজিউদ্দিন আহম্মেদ, সালাহউদ্দিন আহম্মেদ পাঁচতলা ভবনসহ দোকানঘর (তানভির স্টোর্স), ওই দোকান লাগোয়া একটি দোকান (সেলুন হিসেবে ভাড়া দেওয়া হতো) ও স¤প্রতি সালাউদ্দিন একটি হোমিও ঔষধের দোকান নির্মাণ করেছেন।

পাঁচতলা ভবনের নীচের অংশ উপরের দিকে বাড়াতে বাড়াতে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাতে বৃষ্টি হলে ছাদের পানি রাস্তার উপর পড়ে। তারা আরো জানান, পৌরসভার পক্ষ থেকে ওই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলেও ২০১৬ সালে পৌরসভার নির্বাচনের আগে বিশেষ যাদুবলে তারা পৌরসভার জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করতে সফল হন ওই তিন ভাই। বিষয়টি স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর পৌর মেয়র তাসকিন আহম্মেদ চিশতিসহ সকলেরই জানেন। যেহেতু একই এলাকায় তাই সকলকে ম্যানেজ করেই কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা’র বাড়ি থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ব্রীজের পাশে ঈদের ছুটিকে কাজে লাাগিয়ে গত ৩০ এপ্রিল ঔষধের দু’টি দোকান নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

বিষয়টি নিয়ে প্রত্রিকায় লেখালেখি হওয়ায় গত ১০ মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফতেমা তুজ জোহরা ওই নির্মাণাধীণ দোকানের একটি অংশ ভেঙে দিয়ে কাজ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট মহিউদ্দিনকে নির্দেশ দিয়ে যান। এর একদিন পর মহিউদ্দিন নিজিকে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর রোগীদের ৪০ বছর যাবৎ চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন দাবি করে একটি কুচক্রি মহল তার ঘর বানাতে দিচ্ছেন না বলে পত্রিকায় বিবৃতি দেন। তার কোন লিখিত অনুমতি নেই জানিয়ে পৌর মেয়র তাকে মৌখিতভাবে ঘর করার অনুমতি দিয়েছেন বলে ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।
তারা আরো জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দিয়ে নতুন করে কাজ না করার নির্দেশ দিলেও মহিউদ্দিন শুক্রবার ছুটির দিনে ভেঙে না দেওয়া একটি ঘরের নির্মাণ কাজ চালিয়ে টিন দিয়ে চাল নির্মাণ করেছেন। মহিউদ্দিনের খুঁটির জোর কোথায় তা জানতে চায় শহরবাসি।
এদিকে মহিউদ্দিনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের দৃশ্য দেখে শহরের পাকাপুলের দু’পাশে তিনটি অবৈধ পাকা ঘর নির্মাণের কাজ শেষ করতে চলেছেন একটি মহল। এ ছাড়াও নারিকেলতলা- বড়বাজার সড়কে জেলা প্রশানের ভেঙে দেওয়া কয়েকটি ঘরের খালি জায়গায় আবারো নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এব্যাপারে সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিমউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফতেমা তুজ জোহরা জানান, খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।