ঢাকাFriday , 10 December 2021
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

খাজরায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ডালিমের নির্বাচনি সভা অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 10 December 2021, 22:39

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনির খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান ও আ’লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব শাহ নেওয়াজ ডালিম নির্বাচনি মতবিনিময় সভা করেছেন। শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে ইউনিয়নের গদাইপুর গ্রামে চেয়ারম্যানের বাসভবন চত্বরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের কর্মী সমর্থক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অংশ গ্রহণে সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি সদস্য খোকন খাঁ। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান ও পুনঃ দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ডালিম।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক সঞ্জীব ঢালী, ধীরাজ সানা, মেম্বর হোসেন আলী, মেম্বার প্রার্থী আঃ লতিফ, মেম্বার প্রার্থী খায়রুল ইসলাম, চিত্তরঞ্জন সানা, মাখন লাল ব্যানার্জী প্রমুখ। চেয়ারম্যান ডালিম তার বক্তব্যে বলেন, নৌকবা উন্নয়নের প্রতীক, নৌকা শেখ হাসিনার প্রতীক, নৌকা গণমানুষের প্রতীক। আমাকে পরপর দু’বার আমাকে চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত করেছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী হিসাবে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। আপনাদেরকে সব সময় নিজের প্রাণের মানুষ হিসাবে দেখে এসেছি। খাজরা ইউনিয়নকে নৌকা ঘাটিতে পরিণত করতে আপনারা মনেপ্রাণে কাজ করে এসেছেন। এবারও আপনারা যেভাবে এগিয়ে আসছেন তাতে আমার বিশ্বাস নৌকা ১০ সহ¯্রাধিক বেশী ভোট পেয়ে বিজয়ী হবে ইনশাল্লাহ। কিন্তু বেশ আগে থেকেই সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুছের নেতৃত্বে ক‚চক্রী মহল আমাদের পিছনে লেগে আছে। তারা ইউনিয়নকে অশান্ত করে তুলে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের দিবাস্বপ্ন দেখছে।

যা সুদূর পরাহত। পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক তারা বৃহস্পতিবার তাদের ষড়যন্ত্র করতে চাইছিল। তাদের অনাচার, দূরাচার, অশালীনতা ও বেহায়াপনা এলাকাবাসীর কাছে চরম ঘৃণার সৃষ্টি করেছে। ষড়যন্ত্র করতে গিয়ে মটর সাইকেল থেকে পড়ে রুহুল কুদ্দুছের হাত আঘাত প্রাপ্ত হয়। পুলিশের সামনে তিনি সে কথা স্বীকার করেন। কিন্তু পরবর্তীতে কথা ঘুরিয়ে মিথ্যাশ্রয় নিয়ে ভিন্ন কথা বলে সকলকে হতবাক করে দিয়েছে। তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা জানেন এই গ্রামে তাদের মাত্র ২/৩ শত ভোট রয়েছে। ৭নং ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ৫০টি ভোট পেতে পারে তারা। তারা ভোটের মাঠে জিরো। ভাল বাসা না থাকলে জোর করে ভোট পাওয়া যায় না। তিনি প্রশাসনকে কঠোর ভাবে এলাকায় নজর রাখার আহŸান জানান। পুলিশের হস্তক্ষেপে এলাকা শান্ত থাকবে। পুলিশ যথেষ্ট চেষ্টা করে যাচ্ছেন, চেষ্টা অব্যাহত থাকলে নির্বাচনের মাঠ সংঘাতমুক্ত থাকবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *