নৌকায় ভোট দিলে দেশের উন্নয়নে সিঙ্গাপুর ও দুবাইকে পিছনে ফেলবে বাংলাদেশ: এমপি রবি
বাঁশদহা প্রতিনিধি: “বর্তমান সরকার দেশের ইতিহাসে সবচাইতে সফল রাজনৈতিক সরকার। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি গণতান্ত্রিক সরকার ধারাবাহিকভাবে দেশ পরিচালনা করছে। সরকারের ধারাবাহিকতা আছে বলেই অনেকের বিরোধিতার পরও পদ্মা সেতু নির্মাণের কার্যক্রম প্রায় শেষ হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হয়েছে। গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ এখন আর না খেয়ে থাকেনা। জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকে। তাই আপনাদের উন্নয়ন ও দেশের শান্তির জন্য আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদ্যুৎসহ সকল সেক্টরে উন্নয়ন করেছেন শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী নৌকায় ভোট দিয়েছিলেন এজন্য বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের তালিকায়। বাংলাদেশ বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। এবার শেখ হাসিনার নৌকায় ভোট দিলে সিঙ্গাপুর ও দুবাইকে পিছনে ফেলবে বাংলাদেশ।” আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- ও সাফল্য তুলে ধরতে শুক্রবার (৫ অক্টোবর) বিকালে সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি সদরের বাঁশদহা ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ, ডা. মুনছুর আহমেদ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জো¯œা আরা, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনছার আলী, যুব নেতা মীর মহিতুল আলম মহি, আগরদাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান, শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শওকাত আলী, কুশখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউছুফ আলম, যুবলীগ নেতা জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলেখা দাস, রোখসানা পারভীন, দপ্তর সম্পাদক তহমিনা ইসলাম, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলে রাব্বি শাওন, মির্জা নগর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা জালাল উদ্দিন, ঘোনা রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মনিরুল ইসলাম ও শিক্ষক কামাল হোসেন প্রমুখ।

Leave a Reply